২৯/৯. অধ্যায়ঃ
সতর্ক করে দেয়ার জন্য বেত্রাঘাতের পরিমাণ।
দশ কশাঘাতের বেশি নয়: দণ্ডে সীমা মানার শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১১১০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১১১০
حديث أَبِي بُرْدَةَ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: لاَ يُجْلَدُ فَوْقَ عَشْرِ جَلَدَاتٍ، إِلاَّ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ الله
আবূ বুরদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলতেনঃ আল্লাহ্র নির্ধারিত হদসমূহের কোন হদ ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে দশ কশাঘাতের ঊর্ধ্বে দণ্ড প্রয়োগ করা যাবে না।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮৬: দণ্ডবিধি, অধ্যায় ৪২, হাঃ ৬৮৪৮; মুসলিম, পর্ব ২৯ ; হুদূদ, অধ্যায় ৯, হাঃ ১৭০৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১১১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলতেন, আল্লাহর নির্ধারিত হদসমূহের কোনো হদ ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে দশ কশাঘাতের বেশি দণ্ড দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ সব শাস্তি একই স্তরের নয়। আল্লাহর হদ একটি আলাদা বিষয়, আর সাধারণ শাসনমূলক বা সংশোধনমূলক দণ্ড আরেক বিষয়। হাদিসটি শাস্তির ক্ষেত্রে সীমা, সংযম ও শরীয়তের নির্ধারিত কাঠামো মানার কথা শেখায়। এখানে মূল কীওয়ার্ড হতে পারে দশ কশাঘাত হাদিস, আল্লাহর হদ, দণ্ডের সীমা। অতিরিক্ত কঠোরতা দেখানোকে এই হাদিস অনুমোদন করছে না; বরং নির্ধারিত সীমার বাইরে না যাওয়ার শিক্ষা দিচ্ছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর হদ ও সাধারণ দণ্ড এক নয়।
- হদ ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে দশ কশাঘাতের বেশি নিষেধ করা হয়েছে।
- শাস্তির ক্ষেত্রেও সীমা ও নিয়ম মানা দরকার।
- অতিরিক্ত কঠোরতা থেকে সতর্ক থাকার শিক্ষা পাওয়া যায়।
