২৭/১০. অধ্যায়ঃ

দাসকে তা খাওয়ানো যা সে নিজে খায় এবং তা পরানো যা সে নিজে পরে এবং সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ না দেয়া।

খাদিম খাবার আনলে কী করবেন? হাদিসের মানবিক শিক্ষা

আল লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১০৭৮

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِذَا أَتَى أَحَدَكُمْ خَادِمُهُ بِطَعَامِهِ، فَإِنْ لَمْ يُجْلِسْهُ مَعَهُ فَلْيُنَاوِلْهُ أُكْلَةً أَوْ أُكْلَتَيْنِ، أَوْ لُقْمَةً أَوْ لُقْمَتَيْنِ، فَإِنَّهُ وَلِيَ حَرَّهُ وَعِلاَجَهُ

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কারো খাদিম খাবার নিয়ে উপস্থিত হলে তাকেও নিজের সাথে বসানো উচিত। তাকে সাথে না বসালেও দুই এক লোকমা কিংবা দুই এক গ্রাস তাকে দেয়া উচিত। কেননা, সে এর জন্য পরিশ্রম করেছে।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৪৯: ক্রীতদাস আযাদ করা, অধ্যায় ১৮, হাঃ ২৫৫৭; মুসলিম, পৰ্ব ২৭ : কসম, অধ্যায় ১০, হাঃ ৫৭৮

আল লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৭৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) খুব কোমল ও মানবিক একটি শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমাদের কারও খাদিম খাবার নিয়ে এলে তাকে নিজের সঙ্গে বসানো উচিত। যদি তাকে সঙ্গে না বসায়, তাহলে অন্তত এক-দুই লোকমা বা এক-দুই গ্রাস তাকে দেওয়া উচিত। কারণ সে খাবারের গরম, কষ্ট ও প্রস্তুতির কাজ সামলেছে। এই হাদিস খাদিমের অধিকার ও শ্রমের মর্যাদা খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দেয়। যে মানুষ খাবার তৈরি বা পরিবেশনের কষ্ট করেছে, তাকে সম্পূর্ণ অদেখা করা উচিত নয়। এখানে বড় কোনো জটিল আলোচনা নেই; বরং ঘরের আচরণ, খাবারের আদব এবং অধীনস্থ মানুষের প্রতি সম্মানের কথা বলা হয়েছে। ইসলামে ছোট কাজে করা শ্রমও মূল্যহীন নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খাদিম খাবার আনলে তাকে খাবারে শরিক করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
  • একসঙ্গে বসানো না হলে অন্তত কিছু খাবার দেওয়া উচিত।
  • যে শ্রম করে, তার কষ্টের মূল্য দিতে হয়।
  • ঘরের ভেতরের আচরণও ইসলামী চরিত্রের অংশ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন