৫২/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮২৯
حديث زَيْنَبَ ابْنَةِ جَحْشٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَيْهَا فَزِعًا يَقُولُ: لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأجُوجَ وَمأجُوجَ مِثْلُ هذِهِ وَحَلَّقَ بِإِصْبَعِهِ الإِبْهَامِ وَالَّتِي تَلِيهَا قَالَتْ زَيْنَبُ ابْنةُ جَحْشٍ: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ أَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ قَالَ: نَعَمْ إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ
একবার নবী (ﷺ) ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় তাঁর নিকট আসলেন এবং বলতে লাগলেন, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য বা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর এ পরিমাণ খুলে গেছে। এ কথার বলার সময় তিনি তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলির অগ্রভাগকে তার সঙ্গের শাহাদাত আঙ্গুলির অগ্রভাগের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাকার করে ছিদ্রের পরিমাণ দেখান। যায়নাব বিনতে জাহশ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাদের মধ্যে পুণ্যবান লোকজন থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন, হাঁ যখন পাপকাজ অতি মাত্রায় বেড়ে যাবে। (মুসলিম
মুসলিম সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬০: নাবীগণের (আঃ) হাদীসসমূহ, অধ্যায় ৭, হাঃ ৩৩৪৬; মুসলিম, পর্ব ৫২: ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ, অধ্যায়, হাঃ ২৮৮০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৩০
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَتَحَ اللهُ مِنْ رَدْمِ يَاجُوجَ وَمَاجُوجَ مِثْلَ هذَا وَعَقَدَ بِيَدِهِ تِسْعِينَ
নবী (ﷺ) বলেন, ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে আল্লাহ এ পরিমাণ ছিদ্র করে দিয়েছেন। এই বলে, তিনি তাঁর হাতে নব্বই সংখ্যার আকৃতির মত করে দেখালেন।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬০: নাবীগণের (আঃ) হাদীসসমূহ, অধ্যায় ৭, হাঃ ৩৩৪৭; মুসলিম, পর্ব ৫২: ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ, অধ্যায় ১, হাঃ ২৮৮১