৭/২২. অধ্যায়ঃ
কোন বস্তু আমানত রাখা - কোন বস্তু কারো সংরক্ষনের জিম্মায় রাখার বিধান
ওয়াদিয়া বা আমানত: নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন
বুলুগুল মারাম : ৯৬৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৯৬৬
عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: مَنْ أُودِعَ وَدِيعَةً, فَلَيْسَ عَلَيْهِ ضَمَانٌ - أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَإِسْنَادُهُ ضَعِيفٌ
আমর বিন শু‘আইব হতে বর্ণিতঃ
তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ কারো কাছে ওয়াদিয়া রাখালে) তা ধ্বংস হলে) তার কোন ক্ষতিপূরণ নাই । -এর সানাদ য‘ঈফ । [১০৪২] وَبَابُ قَسْمِ الصَّدَقَاتِ تَقَدَّمَ فِي آخِرِ الزَّكَاةِ وَبَابُ قَسْمِ الْفَيْءِ وَالْغَنِيمَةِ يَأْتِي عَقِبَ الْجِهَادِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى হাফিয ইবনু হাজার (রহঃ) বলেছেন- সাদাকাহ বণ্টনের বর্ণনা যাকাতের বর্ণনার শেষে বৰ্ণিত হয়েছে; আর ফাই এবং গানীমাতের মালের বণ্টনের বর্ণনা জিহাদের বর্ণনার পরে বর্ণিত হবে ইনশাআল্লাহ তা’আলা।
[১০৪২] ইবনু মাজাহ ২৪০১। হাসান লিগাইরিহি, তাওযিহুল আহকাম ৫/২০৫ পৃঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৯৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ওয়াদিয়া বা কারো কাছে রাখা আমানতের কথা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, কেউ কারো কাছে ওয়াদিয়া রাখালে তা ধ্বংস হলে তার কোনো ক্ষতিপূরণ নেই। তবে একই সঙ্গে উল্লেখ আছে, এর সানাদ য‘ঈফ। তাই ব্যাখ্যায় খুব সতর্ক থাকা দরকার। হাদিসের শব্দ থেকে শুধু এতটুকু বোঝা যায় যে আমানত রাখা সম্পদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে একটি আলোচনা আছে। কিন্তু দুর্বল সনদের কারণে এটিকে একা ধরে চূড়ান্ত ফতোয়া বানানো ঠিক নয়। এখানে বাস্তব শিক্ষা হলো, আমানত গ্রহণ করলে তা যত্নে রাখা দরকার, আর আমানতদাতা ও গ্রহণকারী উভয়েরই শর্ত ও দায় স্পষ্ট রাখা ভালো। হাফিয ইবনু হাজার (রহঃ)-এর নোটে আরও অধ্যায়ের অবস্থানও উল্লেখ হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আমানত বা ওয়াদিয়া রাখা সম্পদ নিয়ে দায়ের আলোচনা আছে।
- সনাদ য‘ঈফ বলা হওয়ায় বর্ণনাটি ব্যবহারে সতর্ক থাকা দরকার।
- আমানত গ্রহণ করলে যত্ন ও সততার সঙ্গে রাখা উচিত।
- সম্পদ রাখা ও নেওয়ার সময় দায়-দায়িত্ব স্পষ্ট করা ভালো।
