৭/১২. অধ্যায়ঃ
জোরপূর্বক অন্যায়ভাবে কিছু অধিকার করা - অন্যায়ভাবে এক বিঘৎ পরমাণ কারও জমি দখল করার গুনাহ
অন্যের জমি আত্মসাৎ: যুলুমের কঠিন সতর্কতা
বুলুগুল মারাম : ৮৯৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৮৯৪
عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا-; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ اقْتَطَعَ شِبْرًا مِنَ الْأَرْضِ ظُلْمًا طَوَّقَهُ اللَّهُ إِيَّاهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ سَبْعِ أَرَضِينَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
সা’ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন- যে ব্যক্তি যুল্ম করে অন্যের এক বিঘত যমীনও আত্মসাৎ করে, ক্বিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের শিকল তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে । [৯৬০]
[৯৬০] বুখারী ২৪৫২, ৩১৯৮, মুসলিম ১৫১০, তিরমিযী ১৪১৮, আহমাদ ১৬৩১, ১৬৩৬, ১৬৫২, দারেমী ২৬০৬ ।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৮৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি যুলুম করে অন্যের এক বিঘত জমিও আত্মসাৎ করে, কিয়ামতের দিন সাত তবক জমির শিকল তার গলায় পরিয়ে দেওয়া হবে। এই বর্ণনায় জমির অধিকার, অন্যের সম্পদ এবং যুলুমের ভয়াবহতা খুব স্পষ্ট। এক বিঘত পরিমাণের কথা এসেছে, যা দেখায় সামান্য মনে হলেও অন্যের অধিকার নেওয়া গুরুতর বিষয়। জমি আত্মসাৎ, অন্যের মাল দখল, সীমা লঙ্ঘন—এসব থেকে দূরে থাকার শিক্ষা এখানে আছে। হাদিসটি মানুষের সম্পদ ও অধিকারকে সম্মান করতে শেখায়। কোনো জমি বা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ হলে ন্যায়ভিত্তিক সমাধান দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যের জমি অন্যায়ভাবে নেওয়া গুরুতর যুলুম।
- অল্প পরিমাণ জমি হলেও মালিকের অধিকার অস্বীকার করা যাবে না।
- সম্পত্তির বিষয়ে ন্যায় ও সততা বজায় রাখা দরকার।
- জমি নিয়ে বিরোধে জোরজবরদস্তি নয়, ন্যায়সঙ্গত পথ নেওয়া উচিত।
