৭/১১. অধ্যায়ঃ

অপরের বস্তু থেকে সাময়িকভাবে উপকৃত হওয়া - “আরিয়া”র যিম্মা নেওয়ার বিধান

হুনাইনের বর্ম ধার: জোর নয়, দায়িত্বসহ ধার

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৮৯২

وَعَنْ صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - اسْتَعَارَ مِنْهُ دُرُوعًا يَوْمَ حُنَيْنٍ. فَقَالَ: أَغَصْبٌ يَا مُحَمَّدُ قَالَ: «بَلْ عَارِيَةٌ مَضْمُونَةٌ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

সাফওয়ান বিন্‌ উমাইয়াহ হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট থেকে হুনাইন যুদ্ধের সময় কিছু বর্ম ধার নিয়েছিলেন, ফলে সাফওয়ান তাঁকে বললেন, হে মুহাম্মদ! এটা জোরপূর্বক গ্রহণ করা হল? তিনি বললেন, না, ক্ষতিপূরণ দায়মুক্ত ফেরত দেয়ার শর্তে নেয়া হলো । -হাকিম একে সহীহ্‌ বলেছেন । [৯৫৮]

[৯৫৮] আবূ দাউদ ৩৫৬২, ৩৫৬৩, ৩৫৬৬, আহমাদ ২৭০৮৯ ।

বুলুগুল মারাম হাদিস ৮৯২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাফওয়ান ইবনু উমাইয়াহ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুনাইন যুদ্ধের সময় তাঁর কাছ থেকে কিছু বর্ম ধার নেন। সাফওয়ান প্রশ্ন করেন, হে মুহাম্মদ, এটা কি জোরপূর্বক গ্রহণ করা হলো? নবীজি বলেন, না; বরং ক্ষতিপূরণ দায়সহ ফেরত দেওয়ার শর্তে নেওয়া হলো। এখানে ধার নেওয়ার ন্যায়ভিত্তিক আচরণ দেখা যায়। অন্যের জিনিস নেওয়া হলে মালিকের সম্মতি, শর্ত ও দায়িত্বের বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার। নবীজি জোরপূর্বক নেওয়ার ধারণা দূর করে দেন এবং ধার নেওয়ার প্রকৃতি স্পষ্ট করেন। এই হাদিসে ধার, বর্ম, দায়িত্ব ও ফেরতের শর্ত—সবই সরাসরি এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অন্যের জিনিস জোর করে নেওয়া নয়; শর্ত পরিষ্কার করা দরকার।
  • ধার নেওয়ার সময় মালিকের প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হওয়া উচিত।
  • ক্ষতিপূরণের দায় থাকলে তা আগে থেকেই জানানো ভালো।
  • লেনদেনে ন্যায় ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন