১/৬. অধ্যায়ঃ
উযূ বিনষ্টকারী বিষয় সমূহ - যিকর করার জন্য উযূ শর্ত নয়
সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকর: নবীজির আমলের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৭৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৭৮
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَذْكُرُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ, وَعَلَّقَهُ الْبُخَارِيُّ
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবসময় আল্লাহর যিকরে মত্ত থাকতেন।’ বুখারী একে মুআল্লাক বা সানাদবিহীন বর্ণনা করেছেন। [৯৭]
[৯৭] ইমাম বুখারী একে মুয়াল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন (ফাতহুল বারী ২১৪); আর ইমাম মুসলিম একে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সব সময় আল্লাহর যিকরে থাকতেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর ও সহজ। একজন মুমিনের জীবন শুধু নির্দিষ্ট সময়ের ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; চলাফেরা, কাজ, বিশ্রাম—সব অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করার সুযোগ আছে। এখানে পবিত্রতার অধ্যায়ে যিকরের প্রসঙ্গ এসেছে, তাই বোঝা যায় আল্লাহর স্মরণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত। তবে হাদিসে যিকরের নির্দিষ্ট শব্দ বা সংখ্যা বলা হয়নি, তাই ব্যাখ্যায় তা যোগ করা হয়নি। মূল কথা—নবীজি আল্লাহর স্মরণে অভ্যস্ত ছিলেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (সা.) সব অবস্থায় আল্লাহর যিকর করতেন।
- যিকর শুধু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
- দৈনন্দিন জীবনে আল্লাহকে স্মরণ করা সুন্দর আমল।
- এই হাদিসে কোনো নির্দিষ্ট যিকর বা সংখ্যা বলা হয়নি।
