৬/৫. অধ্যায়ঃ
হাজের বিবরণ ও মক্কায় প্রবেশ - কাবার স্তম্ভ সমূহকে স্পর্শ করার বিধান
কাবার কোন কোণ স্পর্শ করা হয়েছে: ইয়ামানী দুই রুকনের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৭৪৯
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৭৪৯
وَعَنْهُ قَالَ: لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَسْتَلِمُ مِنَ الْبَيْتِ غَيْرَ الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে দিকের দুটো ইয়ামানী কোণ ( ইয়ামানী ও হাজারে আল-আসওয়াদ) ব্যতীত বাইতুল্লাহর আর কোন কোণ স্পর্শ করতে দেখিনি। [৭৯৭]
[৭৯৭] মুসলিম ১২৬৯, তিরমিযী, ৮৫৮, আহমাদ ১৮৮০, ২২১১.
বুলুগুল মারাম হাদিস ৭৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কাবার ইয়ামানী দুই কোণ ছাড়া অন্য কোনো কোণ স্পর্শ করতে দেখেননি। এখানে ইয়ামানী দুই কোণ বলতে ইয়ামানী রুকন ও হাজরে আসওয়াদের কোণের কথা এসেছে। তাওয়াফে কী স্পর্শ করা হয়েছে এবং কী করা হয়নি—এই হাদিস তা সহজভাবে জানায়। ‘কাবার কোন কোণ স্পর্শ’, ‘ইয়ামানী রুকন’, ‘হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ’—এসব বিষয়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইবাদতে ভালোবাসা থাকলেও কাজের সীমা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল দিয়ে বোঝা উচিত। যা তিনি করেননি, তা ইবাদতের নামে বাড়িয়ে নেওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইয়ামানী দুই কোণ স্পর্শ করেছেন বলে বর্ণনা এসেছে।
- কাবার অন্য কোণ স্পর্শ করার বর্ণনা এই হাদিসে নেই।
- ইবাদতে আবেগের সঙ্গে সুন্নাহর সীমাও মানতে হয়।
- তাওয়াফের আমলে নবীজির কাজই অনুসরণের পথ দেখায়।
