৬/১. অধ্যায়ঃ
হজ্জে এর ফযীলত ও যাদের উপর হজ্জ ফরয তার বিবরণ - বাচ্চার হজ্জ্বের বিধান
শিশুর হজ্জ: বাচ্চার হজ্জ হলে সওয়াব কার
বুলুগুল মারাম : ৭১৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৭১৪
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - لَقِيَ رَكْبًا بِالرَّوْحَاءِ فَقَالَ: «مَنِ الْقَوْمُ?» قَالُوا: الْمُسْلِمُونَ. فَقَالُوا: مَنْ أَنْتَ? قَالَ: «رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم» فَرَفَعَتْ إِلَيْهِ امْرَأَةٌ صَبِيًّا. فَقَالَتْ: أَلِهَذَا حَجٌّ قَالَ: «نَعَمْ، وَلَكِ أَجْرٌ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে রাওহা [৭৬০] নামক স্থানে একদল যাত্রীর সাক্ষাত হলে তাদেরকে বললেন, তোমরা কে? তারা বললো, (আমরা) মুসলিম। তারপর তারা জিজ্ঞেস করল, আপনি কে? তিনি বললেন- (আমি) আল্লাহ্র রাসূল! এ সময় জনৈকা মহিলা তার বাচ্চা তুলে ধরে বললো, এর কি হজ্জ আছে? তিনি বললেন, হাঁ, তবে তার নেকী তুমি পাবে। [৭৬১]
[৭৬০] “রাওহা’’ মদীনা থেকে ৬৩ মাইল দূরে অবস্থিত একটি জায়গার নাম।[৭৬১] মুসলিম ১৩৩৬, নাসায়ী ২৬৪৫, ২৬৪৬, ২৬৪৭, আবূ দাঊদ ১৭৩৬, ১৯০১, আহমাদ ২১৭৭, ২৬০৫, মুওয়াত্তা মালেক ৯৬১
বুলুগুল মারাম হাদিস ৭১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাওহা নামক স্থানে একদল যাত্রীর সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাক্ষাতের কথা এসেছে। তারা নিজেদের মুসলিম বলে পরিচয় দেয়। এরপর এক নারী তাঁর শিশুকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করেন, এই শিশুর কি হজ্জ আছে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, হ্যাঁ, এবং তোমার জন্য সওয়াব আছে। এই হাদিসে শিশুর হজ্জের বিষয়টি খুব সহজভাবে এসেছে। শিশুর নিজের বুঝ কম হলেও অভিভাবক তাকে নিয়ে হজ্জের কাজে অংশ নিলে অভিভাবকের জন্য সওয়াবের কথা বলা হয়েছে। এতে সন্তানকে ইবাদতের পরিবেশে রাখার সুন্দর শিক্ষা পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিশুকে নিয়ে হজ্জ করা হলে তার হজ্জ গণ্য হওয়ার কথা এসেছে।
- অভিভাবকের জন্য সওয়াবের কথা বলা হয়েছে।
- শিশুকে ইবাদতের পরিবেশে রাখা ভালো শিক্ষা।
- নবী صلى الله عليه وسلم সাধারণ মানুষের প্রশ্নের সহজ উত্তর দিতেন।
