৫/১. অধ্যায়ঃ
নফল সওম ও তার নিষিদ্ধকাল - আইয়্যামুত তাশরীকের (ঈদুল আযহার পরবর্তী তিন দিন) রোযা রাখার বিধান
আইয়ামে তাশরীকে সাওম: কাদের জন্য বিশেষ অনুমতি
বুলুগুল মারাম : ৬৮৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৮৮
وَعَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ قَالَا: لَمْ يُرَخَّصْ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ أَنْ يُصَمْنَ إِلَّا لِمَنْ لَمْ يَجِدِ الْهَدْيَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
আয়িশা (রা) ও ইবনু ‘উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
তাঁরা উভয়ে বলেন, যাঁর নিকট কুরবানীর পশু নেই তিনি ব্যতীত অন্য কারও জন্য আইয়্যামে তাশরীকে সাওম পালন করার অনুমতি দেয়া হয়নি। [৭৩৩]
[৭৩৩] বুখারী ১৯৯৭, ১৯৯৯, মুওয়াত্তা মালেক ৯৭২।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আইয়ামে তাশরীকের সাওম সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম এসেছে। আয়িশা ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম বলেন, আইয়ামে তাশরীকে সাওম পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি, তবে যাঁর নিকট কুরবানীর পশু নেই তিনি ব্যতীত। অর্থাৎ সাধারণভাবে তাশরীকের দিনগুলো সাওমের জন্য নয়, কিন্তু হাদিসে একটি বিশেষ অবস্থার কথা বলা হয়েছে। ব্যাখ্যায় এই সীমা ধরে রাখা জরুরি। এখানে সবার জন্য সাধারণ নফল সাওমের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বরং নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য বিশেষ রুখসত বা ছাড়ের কথা এসেছে। তাই তাশরীকের সাওম নিয়ে কথা বললে এই ব্যতিক্রমটি আলাদা করে বোঝা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আইয়ামে তাশরীকে সাওমের সাধারণ অনুমতি নেই।
- কুরবানীর পশু না পাওয়া ব্যক্তির জন্য বিশেষ অনুমতির কথা এসেছে।
- হাদিসের ব্যতিক্রমকে সাধারণ বিধান বানানো ঠিক নয়।
- সাওমের বিধানে সময় ও অবস্থার গুরুত্ব আছে।
