৫/১. অধ্যায়ঃ
নফল সওম ও তার নিষিদ্ধকাল - শাওয়াল মাসের ছয় রোযার ফযীলত
শাওয়ালের ছয় রোজা: পূর্ণ বছরের সাওমের ফজিলত
বুলুগুল মারাম : ৬৮১
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৮১
وَعَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ, ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন- যে ব্যক্তি রমযানের সাওমব্রত পালনের পর শাওয়ালেরও ৬টি সাওম পালন করল, (পুণ্যের দিক দিয়ে) পূর্ণ একটি বছর সাওম পালন করল । [৭২৬]
[৭২৬] মুসলিম ১১৬৪, তিরমিয়ী ৭৫৯, আবূ দাউদ ২৪৩৩, ইবনু মাজাহ ১৭১৬, আহমাদ ২৩০২২।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত খুব সহজ ভাষায় এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযানের সাওম পালন করার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি সাওম রাখে, সে যেন পূর্ণ এক বছর সাওম পালন করল। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ফরজ রমযান শেষ হওয়ার পরও নফল সাওমের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। হাদিসটি সাওমের ধারাবাহিকতা শেখায়। তবে এটি রমযানের ফরজ সাওমের বিকল্প নয়; বরং রমযানের পর অতিরিক্ত নেক আমলের একটি সুন্দর সুযোগ। তাই যারা শাওয়ালের ছয় রোজা রাখতে চান, তারা রমযানের পর এই নফল আমলকে গুরুত্ব দিতে পারেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানের সাওমের পর শাওয়ালের ছয় সাওম রাখা বড় ফজিলতের কাজ।
- নফল সাওম ফরজ ইবাদতের পর আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি মাধ্যম।
- শাওয়ালের ছয় রোজা সারা বছরের সাওমের মতো সওয়াবের কারণ হতে পারে।
- রমযানের পরও ভালো আমলের ধারাবাহিকতা রাখা উচিত।
