৫/০. অধ্যায়ঃ
অপবিত্র অবস্থায় সকালকারীর সাওমের বিধান
জুনুব অবস্থায় সুবহে সাদিক হলে সাওমের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৬৭৭
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৭৭
وَعَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ جِمَاعٍ, ثُمَّ يَغْتَسِلُ وَيَصُومُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِزَادَ مُسْلِمٌ فِي حَدِيثِ أُمِّ سَلَمَةَ: [وَ] لَا يَقْضِي
আয়িশা ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যৌন অপবিত্রতা বা জুনুবী অবস্থায় সকাল (সুবহে সাদিক) করতেন, তারপর (ফজরের সালাতের পূর্বে) গোসল করতেন ও সাওম পালন করতেন। মুসলিমে উম্মু সালামাহর হাদীসে অতিরিক্ত আছে, “তিনি ঐরুপ সাওমের কাযা আদায় করতেন না। [৭২৩]
[৭২৩] বুখারী ১৯২৬, ১৯৩০, ১৯৩২, মুসলিম ১১০৯ তিরমিযী ৭৭৯, আবু দাউদ ১৯৮৪, ১৯৮৫, ২৩৮৮, আহমাদ ২৩৫৪২, মুওয়াত্তা মালেক ৬৪১, ৬৪২, দারেমী ১৭২৫
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা ও উম্মু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যৌন অপবিত্রতা বা জুনুবী অবস্থায় সকাল করতেন। এরপর তিনি গোসল করতেন এবং সাওম পালন করতেন। মুসলিমের উম্মু সালামাহর বর্ণনায় আরও এসেছে, তিনি এমন সাওমের কাযা আদায় করতেন না। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় “জুনুব অবস্থায় রোজা”, “ফজরের আগে গোসল না হলে রোজা” এবং “রোজার কাযা”। এখানে সময়ের সূচনা ও গোসলের বিষয় আলাদা করে দেখা দরকার। হাদিসে বলা হয়েছে, তিনি সকাল করতেন, তারপর গোসল করতেন এবং সাওম পালন করতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুনুব অবস্থায় সকাল করার পর নবীজি গোসল করতেন।
- তিনি এরপর সাওম পালন করতেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
- উম্মু সালামাহর বর্ণনায় এমন সাওমের কাযা না করার কথা আছে।
