৫/০. অধ্যায়ঃ
সময় হওয়ার সাথে সাথেই তাড়াতাড়ি ইফতার করা মুস্তাহাব
শীঘ্র ইফতার করা কেন সুন্নাহর শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৬৫৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৫৮
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা যতদিন শীঘ্ৰ ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। [৭০৪]
[৭০৪] বুখারী ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮, তিরমিয়ী ৬৯৯, ইবনু মাজাহ ১৬৯৭, আহমাদ ২২৩৬৩, ২২৩৫২, মুওয়াত্তা মালেক ৬২৮
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মানুষ যতদিন শীঘ্র ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। এখানে শীঘ্র ইফতার মানে সূর্যাস্তের পর অহেতুক দেরি না করা। হাদিসটি ইফতারের সময় নিয়ে সহজ ও ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা দেয়। সাওম সারাদিনের ইবাদত, আর সময় হলে ইফতার করাও নববী নির্দেশের অংশ। তাই ইফতার দেরি করা, বেশি কষ্ট নেওয়া বা নিজের মতো কঠোরতা দেখানো এই হাদিসের শিক্ষার সঙ্গে মেলে না। শীঘ্র ইফতার, সাওমের আদব এবং কল্যাণের উপর থাকা—এই হাদিসের প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সময় হলে ইফতার করতে অকারণ বিলম্ব করা উচিত নয়।
- শীঘ্র ইফতার করা কল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- সাওমে নিজের বানানো কঠোরতা নয়, নববী পদ্ধতি অনুসরণ দরকার।
- ইফতারও সাওমের আদবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
