১/৫. অধ্যায়ঃ

মোজার উপর মাসাহ - সময় নির্ধারণ ব্যতীত মোজার উপর মাসাহ করা অস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে

ওজু অবস্থায় মোজা পরলে মাসাহ করার বিধান

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৪

وَعَنْ عُمَرَ - مَوْقُوفًا - وَ [عَنْ] أَنَسٍ - مَرْفُوعًا: «إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ وَلَبِسَ خُفَّيْهِ فَلْيَمْسَحْ عَلَيْهِمَا, وَلْيُصَلِّ فِيهِمَا, وَلَا يَخْلَعْهُمَا إِنْ شَاءَ إِلَّا مِنْ جَنَابَةٍ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَالْحَاكِمُ وَصَحَّحَهُ

উমার (রাঃ) এবং আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

“তোমাদের কেউ যখন ওজু অবস্থায় মোজা পরবে সে ইচ্ছ করলে জানাবাত বা অপবিত্রতা ছাড়া মোজা না খুলে তার উপর মাসাহ করবে ও সালাত আদায় করবে; তবে গোসল করা হলে মোজা খুলতে হবে।” - দারাকুৎনী, হাকিম এটিকে সহীহ্ বলেছেন। [৮০]

[৮০] দারাকুৎনী (১০৩-২০৪); হাকিম (১৮২)

বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৪-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, কেউ ওজু অবস্থায় মোজা পরলে সে চাইলে মোজা না খুলে তার উপর মাসাহ করতে পারে এবং সে অবস্থায় সালাতও আদায় করতে পারে। তবে জানাবাত বা বড় অপবিত্রতার ক্ষেত্রে মোজা খুলতে হবে। এখানে দুটি বিষয় পরিষ্কার। প্রথমত, মোজার উপর মাসাহের সঙ্গে আগে পবিত্র অবস্থায় মোজা পরার বিষয়টি জড়িত। দ্বিতীয়ত, ছোট অপবিত্রতা ও বড় অপবিত্রতার বিধান এক নয়। ওজু ভাঙলে মাসাহ করা যেতে পারে, কিন্তু গোসল ফরজ হলে শুধু মাসাহ যথেষ্ট নয়। হাদিসটি পবিত্রতা ও সালাতের সহজতা বোঝায়, তবে সীমার কথাও মনে করিয়ে দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ওজু অবস্থায় মোজা পরা মাসাহের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে এসেছে।
  • ছোট অপবিত্রতার ক্ষেত্রে মোজার উপর মাসাহ করা যায়।
  • জানাবাত হলে মোজা খুলে গোসল করতে হবে।
  • সালাতের আগে পবিত্রতা নিশ্চিত করা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন