২/১৭. অধ্যায়ঃ

রেশমী কাপড় ও জাফরান রঙের কাপড় পরিধান নিষেধ

মুয়াসফার কাপড় দেখে নবীজির প্রশ্ন: পোশাকে সতর্কতার শিক্ষা

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৫৩২

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِوٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, قَالَ: رَأَى عَلَيَّ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - ثَوْبَيْنِ مُعَصْفَرَيْنِ, فَقَالَ: «أُمُّكَ أَمَرَتْكَ بِهَذَا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

আব্দুল্লাহ বিন ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দু’খানা মুয়াসফার কাপড় পরিহিত অবস্থায় দেখে বলেছিলেন, তোমার মা তোমাকে কি এগুলো পরিধান করতে হুকুম করেছেন? [৫৬৯]

[৫৬৯] মুসলিম ২০৭৭, নাসায়ী ৫২১৬, ৫২১৭, আহমাদ ৬৪৭৭, পূর্ণ হাদীসটি হচ্ছেন আবদুল্লাহ বিন আমর বলেনঃ আমি বললাম আমি কি তা ধুয়ে ফেলব? রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বরং তুমি এগুলোকে জ্বালিয়ে দাও।

বুলুগুল মারাম হাদিস ৫৩২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে দুইখানা মুয়াসফার কাপড় পরা অবস্থায় দেখে প্রশ্ন করেছিলেন, তোমার মা কি তোমাকে এগুলো পরতে বলেছেন? হাদিসে সরাসরি এ প্রশ্নই এসেছে। আগের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে বোঝা যায়, মুয়াসফার কাপড় পোশাকের আলোচনায় সতর্কতার বিষয়। তবে এই হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কারণ বানানো ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, নবীজি সাহাবীর পোশাক লক্ষ করেছেন এবং এমন কাপড় নিয়ে আপত্তির ভঙ্গিতে কথা বলেছেন। তাই মুসলিমের পোশাক শুধু বাহ্যিক সাজ নয়; তাতে নবীজির নির্দেশ ও অপছন্দও বিবেচ্য।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুয়াসফার কাপড় দেখে নবীজি প্রশ্ন করেছেন—এটি সতর্কতার ইঙ্গিত।
  • পোশাকের রং ও ধরন দ্বীনি শিক্ষার বাইরে নয়।
  • হাদিসের ভাষার বাইরে বাড়তি কারণ জুড়ে দেওয়া ঠিক নয়।
  • সাহাবীরা নবীজির নির্দেশে পোশাকের বিষয়েও সতর্ক ছিলেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন