২/১৫. অধ্যায়ঃ
চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সালাত - ভূমিকম্পের সময় সালাত পড়ার বিধান ও তার বর্ণনা
ভূমিকম্পের সময় সালাতুল আয়াত: আল্লাহর নিদর্শন স্মরণ
বুলুগুল মারাম : ৫১১
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৫১১
وَعَنْهُ: أَنَّهُ صَلَّى فِي زَلْزَلَةٍ سِتَّ رَكَعَاتٍ, وَأَرْبَعَ سَجَدَاتٍ, وَقَالَ: هَكَذَا صَلَاةُ الْآيَاتِ. رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভূমিকম্পের সময় ছ’টি রুকূ’ ও চারটি সিজদায় (দু’রাকআত) সলাত আদায় করলেন, এবং তিনি বললেন, এরূপ হচ্ছে-আল্লাহর বিশেষ নিদর্শন প্রকাশকালের সালাত।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৫১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ভূমিকম্পের সময় সালাত আদায়ের একটি বর্ণনা এসেছে। বলা হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভূমিকম্পের সময় ছয় রুকু ও চার সিজদায় দুই রাকআত সালাত আদায় করেন এবং বলেন, এভাবে আল্লাহর বিশেষ নিদর্শন প্রকাশের সময় সালাত আদায় করা হয়। এখানে মূল বিষয় হলো “সালাতুল আয়াত”—অর্থাৎ আল্লাহর নিদর্শন দেখা গেলে তাঁর দিকে ফেরা। হাদিসটি গ্রহণের সালাতের আলোচনার সঙ্গেও সম্পর্কিত, কারণ উভয় ক্ষেত্রেই অস্বাভাবিক ঘটনা মানুষকে আল্লাহর স্মরণে ফিরিয়ে দেয়। “ভূমিকম্পের নামাজ”, “সালাতুল আয়াত” এবং “প্রাকৃতিক বিপদের সালাত”—এসব কীওয়ার্ড প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভূমিকম্পের মতো নিদর্শন দেখলে সালাতের দিকে ফেরার শিক্ষা আছে।
- ছয় রুকু ও চার সিজদার পদ্ধতি এই বর্ণনায় এসেছে।
- প্রকৃতির বড় ঘটনা মানুষকে আল্লাহর নিদর্শন মনে করিয়ে দেয়।
