২/১৫. অধ্যায়ঃ
চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সালাত - চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আযান ও তাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাত পাঠ করা শরীয়তসম্মত
সালাতুল কুসুফে কিরাআত, রুকু ও জামাআতের ঘোষণা
বুলুগুল মারাম : ৫০৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৫০৪
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - جَهَرَ فِي صَلَاةِ الْكُسُوفِ (1) بِقِرَاءَتِهِ, فَصَلَّى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ فِي رَكْعَتَيْنِ, وَأَرْبَعَ سَجَدَاتٍ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَهَذَا لَفْظُ مُسْلِمٍوَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: فَبَعَثَ مُنَادِيًا يُنَادِي: الصَّلَاةُ جَامِعَةٌ
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহনের সালাতে [৫৪২] তাঁর কিরাআত সশব্দে পাঠ করেন এবং চার রুকু’ ও চার সিজদাসহ দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন। এটা মুসলিমের শব্দ বিন্যাস। মুসলিমেরই অন্য বর্ননায় আছেঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সালাতের জামা’আতের ঘোষনার জন্য ঘোষনাকারী পাঠাতেনঃ (এই বলার জন্য) ‘আসসালাতু জামি’আহ (অর্থঃ) জামা’আতের সাথে সলাতের আদায়ের জন্য (হাজির হও)। [৫৪৩]
[৫৪২] বুখারী এবং মুসলিমে (আরবী) শব্দটির উল্লেখ আছে।[৫৪৩] বুখারী ১০৬৫, ১০৬৬, ১০৪৪, ১০৪৬, ১০৪৭, মুসলিম ৯০১
বুলুগুল মারাম হাদিস ৫০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সূর্যগ্রহণের সালাত বা সালাতুল কুসুফের পদ্ধতির কিছু দিক এসেছে। আয়িশা রাঃ বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্যগ্রহণের সালাতে কিরাআত সশব্দে পড়েছেন। তিনি দুই রাকআতে চার রুকু ও চার সিজদা করেছেন। আরেক বর্ণনায় এসেছে, লোকদের ডাকার জন্য ঘোষণাকারী “আসসালাতু জামি‘আহ” বলে ঘোষণা করতেন। এতে বোঝা যায়, গ্রহণের সালাত শুধু ব্যক্তিগত আমল নয়; জামাআতের সঙ্গেও তা আদায় করা হয়েছে। “সালাতুল কুসুফের নিয়ম”, “আসসালাতু জামিআহ” এবং “গ্রহণের নামাজ কয় রাকাত”—এসব বিষয়ের সঙ্গে হাদিসটি সরাসরি সম্পর্কিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্যগ্রহণের সালাতে সশব্দ কিরাআতের বর্ণনা পাওয়া যায়।
- দুই রাকআতে একাধিক রুকুর পদ্ধতি এই হাদিসে এসেছে।
- গ্রহণের সালাতে জামাআতের জন্য মানুষকে ডাকার বর্ণনাও রয়েছে।
