২/১২. অধ্যায়ঃ

জুমু’আর সালাত - জুমু’আর দুই খুতবাতে চুপ থাকা ওয়াজিব

খুতবাহ চলাকালে ‘চুপ থাক’ বলাও কেন অনর্থক কথা

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৪৫৫

وَهُوَ يُفَسِّرُ حَدِيثَ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - فِي «الصَّحِيحَيْنِ» مَرْفُوعًا: إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ: أَنْصِتْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ, فَقَدْ لَغَوْتَ

আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

হাদীসটি হচ্ছে-জুমু‘আহর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুত্‌বাহ দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনর্থক কথা বললে। [৪৯৩]

[৪৯৩] বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১, তিরিমিযী ৫১২, নাসায়ী ১৪০১, ১৪০২, আবূ দাউদ ১১১২, ইবনু মাজাহ ১১১০, দারিমী ১৪৪৮, ১৪৪৯, আহমাদ ৭২৮৮, ৭২৯৯, ৭৭০৬, মুওয়াত্তা মালেক ২৩২। (আরবী) শব্দের অর্থঃ যাইন ইবনুল মুনীর বলেন-সকল ব্যাখ্যাকারীগণ ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন যে, (আরবী) হচ্ছে নিরর্থক, বাজে কথা বলা যা শোভনীয় নয়।

বুলুগুল মারাম হাদিস ৪৫৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবূ হুরায়রা (রাদি.)-এর বর্ণিত একটি প্রসিদ্ধ শিক্ষার ব্যাখ্যা এসেছে। জুমু‘আহর দিন ইমাম খুতবাহ দিচ্ছেন—এ অবস্থায় তুমি যদি পাশের মুসল্লীকে বলো, ‘চুপ থাক’, তাহলে তুমিও অনর্থক কথা বললে। এই হাদিস খুব সরলভাবে খুতবাহর সময় নীরব থাকার গুরুত্ব বোঝায়। অনেক সময় কেউ কথা বললে তাকে থামাতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু হাদিসে মুখে কথা বলে থামানোর ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে। মূল শিক্ষা হলো, খুতবাহর সময় নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখা এবং মন দিয়ে শোনা। জুমার খুতবার আদব মানতে হলে নীরবতা শুধু ভালো আচরণ নয়, বরং হাদিসে নির্দেশিত একটি গুরুতর বিষয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খুতবাহ চলাকালে পাশের জনকে ‘চুপ থাক’ বলাও অনর্থক কথা।
  • ইমামের খুতবাহ চললে নীরব থাকা দরকার।
  • ভালো উদ্দেশ্যেও মুখে কথা বলা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
  • জুমু‘আহর আদব রক্ষা করতে মনোযোগ দিয়ে খুতবাহ শুনতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন