২/১১. অধ্যায়ঃ
মুসাফির ও পীড়িত ব্যক্তির সালাত - যে ব্যক্তি কোন প্রয়োজনে সফরে আছে, কিন্তু তার সময়সীমা নির্দিষ্ট করতে পারছে না তার বিধান
তাবূকে বিশ দিন অবস্থান ও কসর সালাতের বর্ণনা
বুলুগুল মারাম : ৪৩৭
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৪৩৭
وَلَهُ عَنْ جَابِرٍ: أَقَامَ بِتَبُوكَ عِشْرِينَ يَوْمًا يَقْصُرُ الصَّلَاةَ. وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ, إِلَّا أَنَّهُ اخْتُلِفَ فِي وَصْلِهِ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাবূকে তিনি বিশ দিন অবস্থান করেছেন এবং সালাত কসর আদায় করেছেন। হাদীসটির সকল রাবী সিকা (নির্ভরযোগ্য)। তবে এর মাওসুল হবার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। [৪৭৭]
[৪৭৭] আবূ দাঊদ ১২৩৫, আহমাদ ১৩৭২৬।খুলাসা (২/৭৩৩) গ্রন্থে ইমাম নাবাবী বলেন, এর সনদ সহীহ, কারণ তা বুখারী মুসলিমের সনদের শর্তে। আদদেরায়া (১/২১২) গ্রন্থে ইবনু হাজার বলেন, এর সকল রাবী বিশ্বস্ত আবূ দাঊদ ও অন্যরা বলেন মামার এককভাবে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেন।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৪৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাবূকে বিশ দিন অবস্থান করেছেন এবং সালাত কসর আদায় করেছেন। বর্ণনার শেষে বলা হয়েছে, হাদিসটির সকল রাবী নির্ভরযোগ্য, তবে এর মাওসুল হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে। তাই এই হাদিস উদ্ধৃত করার সময় দুইটি বিষয় একসাথে বলা জরুরি—তাবূকে বিশ দিন কসর করার বর্ণনা এবং সনদের সংযোগ নিয়ে মতভেদের কথা। কসর সালাতের অবস্থানকাল, তাবূক সফর এবং মুসাফিরের সালাত—এই হাদিসের মূল আলোচ্য বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাবূকে বিশ দিন অবস্থানকালে কসর করার বর্ণনা এসেছে।
- হাদিসের রাবীদের নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে।
- মাওসুল হওয়া নিয়ে মতভেদের কথাও উল্লেখ আছে।
- হাদিস উদ্ধৃতিতে সনদ-সম্পর্কিত মন্তব্য বাদ দেওয়া উচিত নয়।
