২/৯. অধ্যায়ঃ
নফল সালাত-এর বিবরণ - বিতর সালাতের বিধান
রমাযানে কিয়ামুল লাইল: নবীজির দয়া ও ফরজ হওয়ার আশঙ্কা
বুলুগুল মারাম : ৩৭১
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৭১
وَعَنْ جَابِرٍ - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَامَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ, ثُمَّ انْتَظَرُوهُ مِنَ [ص: 110] الْقَابِلَةِ فَلَمَّا يَخْرُجْ, وَقَالَ: «إِنِّي خَشِيتُ أَنْ يُكْتَبَ عَلَيْكُمْ الْوِتْرُ». رَوَاهُ ابْنُ حِبَّانَ
জাবির বিন ‘আব্দিল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানে কিয়াম বা রাতের সলাতে জামা’য়াত করে (তিন দিন পর পর) সম্পাদন করলেন । তারপর পরবর্তী রাতে লোকেরা তাঁর অপেক্ষায় থাকলেন; তিনি আর মাসজিদে এলেন না । তিনি বললেন - আমি রাতের এ (তারাবীহ সহ) বিতর সলাত তোমাদের উপর ফরজ হয়ে যাবার আশংকা করছি । [৪১২]
[৪১২] এ শব্দে হাদিসটি যঈফ । ইবনু হিব্বান ২৪০৯
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমাযান মাসে রাতের সালাত জামাতে আদায় করলেন। এরপর পরবর্তী রাতে লোকেরা তাঁর অপেক্ষায় থাকলেন, কিন্তু তিনি আর মসজিদে এলেন না। তিনি বললেন, তিনি আশঙ্কা করেছেন যে রাতের এই সালাত, তারাবীহসহ বিতর, তাদের উপর ফরজ হয়ে যেতে পারে। এই হাদিসের মূল বিষয় রমাযানের কিয়াম, জামাতে রাতের সালাত এবং উম্মতের প্রতি নবীজির সহজতা। এখানে নবীজি সালাত ছাড়েননি অবহেলার কারণে; বরং হাদিসের ভাষায় ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই রমাযানের রাতের সালাত, তারাবীহ, বিতর এবং নবীজির মসজিদে না আসার কারণ জানতে এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি রমাযানে রাতের সালাত জামাতে আদায় করেছেন।
- লোকেরা অপেক্ষা করলেও তিনি পরের রাতে বের হননি।
- কারণ হিসেবে ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা বলেছেন।
- উম্মতের জন্য সহজতা নবীজির আচরণে দেখা যায়।
