২/৯. অধ্যায়ঃ
নফল সালাত-এর বিবরণ - ফজরের সুন্নাতকে হালকা করা ও তাতে যা পাঠ করা হয়
ফজরের সুন্নতে সূরা কাফিরুন ও ইখলাস পড়ার হাদিস
বুলুগুল মারাম : ৩৬৩
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৬৩
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَرَأَ فِي رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ: (قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ) وَ (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ) رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের দু‘ রাক’আত সুন্নত সালাতে “ক্বুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন” ও “ক্বুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ” পাঠ করতেন। [৪০৪]
[৪০৪] মুসলিম ৭২৬, নাসায়ী ৯৪৫, ১১৪৮
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের দুই রাকআত সুন্নত সালাতে “কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন” এবং “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ” পাঠ করতেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো ফজরের সুন্নত কিরাআত। এখানে কোন রাকআতে কোন সূরা পড়তেন—তা সংক্ষেপে বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস ফজরের সুন্নত নামাজে কোন সূরা পড়া যায়, সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস ফজরের সুন্নতে পড়া, এবং নবীজির কিরাআত সম্পর্কে জানতে খুব উপকারী। তবে হাদিসে এটাও বলা হয়নি যে অন্য কোনো সূরা কখনো পড়া যাবে না। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত সীমা টানা ঠিক নয়। সরল শিক্ষা হলো, নবীজি ফজরের সুন্নতে এই দুই সূরা পাঠ করতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের দুই রাকআত সুন্নতে নির্দিষ্ট দুই সূরা পড়ার বর্ণনা এসেছে।
- নবীজি সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস পাঠ করতেন।
- ফজরের সুন্নত কিরাআত সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ হতে পারে।
- হাদিসে যা এসেছে, সেটুকুই নিশ্চিতভাবে বলা উচিত।
