২/৫. অধ্যায়ঃ
সালাতে খুশূ বা বিনয় নম্রতার প্রতি উৎসাহ প্ৰদান - সালাতে হাই উঠা অপছন্দনীয় কাজ
নামাজে হাই এলে সাধ্যানুসারে দমন করার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ২৫০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ২৫০
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «التَّثَاؤُبُ مِنْ الشَّيْطَانِ، فَإِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَكْظِمْ مَا اسْتَطَاعَ». رَوَاهُ مُسْلِمٌوَالتِّرْمِذِيُّ, وَزَادَ: «فِي الصَّلَاةِ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হাইতোলা শয়তানের পক্ষ থেকে, তাই যদি কারো তা আসে তবে সে যেন সাধ্যানুসারে তা প্রতিহত করে। [২৮৭] আর তিরমিযী ‘সলাতের মধ্যে’ কথাটি বৃদ্ধি করে বর্ণনা করেছেন। [২৮৮]
[২৮৭] বুখারী ৩২৮৯, সহীহ মুসলিম ২৯৯৪, আবূ দাঊদ ৫০২৮, আহমাদ ৭৫৪৫, ২৭৫০৪, ৯২৪৬, ১০৩১৭, ১০৩২৯।[২৮৮] সহীহ তিরমিযী ৩৭০
বুলুগুল মারাম হাদিস ২৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হাই তোলার বিষয়ে একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হাই শয়তানের পক্ষ থেকে। তাই কারও হাই এলে সে যেন সাধ্যানুসারে তা প্রতিহত করে। তিরমিযীর বর্ণনায় সালাতের মধ্যে কথাটি এসেছে। অর্থাৎ নামাজে হাই এলে সেটিকে হালকাভাবে না নিয়ে যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা উচিত। এখানে সাধ্যানুসারে শব্দটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ সব সময় পুরোপুরি দমন করতে পারে না, কিন্তু চেষ্টা করতে পারে। সালাতে মনোযোগ, ভদ্রতা ও স্থিরতা বজায় রাখার জন্য হাই নিয়ন্ত্রণ করা ভালো। এই হাদিস আমাদের শেখায়, ইবাদতের সময় শরীরের ছোট আচরণও গুরুত্বের সঙ্গে সামলানো দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাই শয়তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
- হাই এলে সাধ্যানুসারে তা দমন করার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।
- সালাতের মধ্যে হাই নিয়ন্ত্রণ মনোযোগ রক্ষায় সাহায্য করে।
- ইবাদতের সময় শরীরের আচরণেও সচেতনতা দরকার।
