২/৩. অধ্যায়ঃ
সালাতের শর্তসমূহ - এক কাপড়ে সালাত আদায় করা বৈধ ও তা পরিধানের পদ্ধতি
এক কাপড়ে সালাত আদায়ের সহজ নিয়ম
বুলুগুল মারাম : ২০৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ২০৮
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهُ: «إِنْ كَانَ الثَّوْبُ وَاسِعًا فَالْتَحِفْ بِهِ»، يَعْنِي: فِي الصَّلَاةِ. وَلِمُسْلِمٍ: «فَخَالِفْ بَيْنَ طَرَفَيْهِ - وَإِنْ كَانَ ضَيِّقًا فَاتَّزِرْ بِهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেনঃ কাপড় যদি বড় হয়, তাহলে শরীরে জড়িয়ে পরবে। মুসলিমে আছে, (বড়) চাদর হলে তার কিনারাদ্বয়কে দু-কাঁধের উপর বিপরীতমুখী করে রেখে নেবে। (অর্থাৎ বড় প্রশস্ত একটি কাপড়ে গলা পর্যন্ত ঢেকে সালাত আদায় করা চলবে)। আর যদি ছোট হয় তাহলে লুঙ্গি হিসেবে ব্যবহার করবে। [২৪১]
[২৪১] বুখারী ৩৬১; মুসলিম ৩০১০। হাদীসের শব্দ বিন্যাস বুখারীর।
বুলুগুল মারাম হাদিস ২০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক কাপড়ে সালাত আদায়ের বিষয়ে সহজ নির্দেশনা এসেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কাপড় যদি বড় হয় তাহলে তা শরীরে জড়িয়ে নিতে হবে। মুসলিমের বর্ণনায় আছে, বড় চাদর হলে তার দুই কিনারা দুই কাঁধে বিপরীতভাবে রাখা হবে। আর কাপড় যদি ছোট হয়, তাহলে তা লুঙ্গি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। এখানে মূল বিষয় হলো সালাতের পোশাক ঠিকভাবে ব্যবহার করা। কারো কাছে যদি বেশি পোশাক না থাকে, তবুও যতটুকু আছে তা দিয়ে শালীনভাবে সালাত আদায়ের নির্দেশনা পাওয়া যায়। হাদিসটি কঠিন করে নয়, বাস্তব অবস্থাকে বিবেচনায় রেখে সালাতের পোশাক সাজানোর শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে কাপড় থাকলে তা ঠিকভাবে শরীরে জড়িয়ে নেওয়া উচিত।
- বড় চাদর হলে কাঁধ ঢাকার বিষয়টি এসেছে।
- কাপড় ছোট হলে তা লুঙ্গির মতো ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।
- সালাতের পোশাকে শালীনতা ও বাস্তবতা—দুই দিকই গুরুত্ব পায়।
