১২/২. অধ্যায়ঃ
কুরবানীর বিধান - (কুরবানীর বিধান)
সামর্থ্যবান ব্যক্তির কুরবানী: ঈদগাহের সতর্কবাণী
বুলুগুল মারাম : ১৩৪৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩৪৮
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ وَلَمْ يُضَحِّ, فَلَا يَقْرَبَنَّ مُصَلَّانَا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَابْنُ مَاجَه, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ, لَكِنْ رَجَّحَ الْأَئِمَّةُ غَيْرُهُ وَقْفَهُ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কুরবানী করার সামর্থ্য রয়েছে তবুও কুরবানী করল না তবে যেন সে আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়। [১৪৫৬]
[১৪৫৬] ইবুন মাজাহ ৩১২৩, আহমাদ ৮০৭৪। হাদিসটি হাসান মাওকূফ তবে বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য; তাওযিহুল আহকাম ৭/৭৯
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যার কুরবানী করার সামর্থ্য আছে, তবুও সে কুরবানী করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়। হাদিসের শেষে উল্লেখ আছে, আহমাদ ও ইবনু মাজাহ বর্ণনা করেছেন, হাকিম একে সহীহ বলেছেন; তবে ইমামগণ এর মাওকূফ হওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাই ব্যাখ্যায় সতর্কতার সাথে বলা যায়, এখানে সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য কুরবানীর গুরুত্বের শক্ত বার্তা এসেছে। কুরবানী কার উপর, সামর্থ্য থাকলে কুরবানী না দিলে, কুরবানীর গুরুত্ব—এসব বিষয়ে এই হাদিসটি বেশি খোঁজা হয়। এটি মুসলিমকে নিজের সামর্থ্য, ইবাদতের দায়িত্ব এবং ঈদের দিনের আমল নিয়ে ভাবতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সামর্থ্য থাকলে কুরবানীকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- হাদিসে কুরবানী না করার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- ইবাদতের ক্ষেত্রে নিজের সামর্থ্য ও দায়িত্ব যাচাই করা দরকার।
