১২/০. অধ্যায়ঃ
নাপাক বস্তু ভক্ষণকারী জন্তুর গোশত খাওয়া এবং এর দুধ পান করা হারাম
জাল্লালা পশুর গোশত ও দুধ: নাপাক খাদ্যভোজী জন্তু সম্পর্কে হাদিস
বুলুগুল মারাম : ১৩২৭
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩২৭
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ الْجَلَّالَةِ وَأَلْبَانِهَا. أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيُّ, وَحَسَّنَهُ التِّرْمِذِيُّ
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাপাক বস্তু ভক্ষণকারী জন্তুর গোশত খেতে ও তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন। [১৪৩৪]
[১৪৩৪] আবু দাউদ ৩৭৮৪, ৩৭৮৭, তিরমিযী ২৮২৪।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাল্লালা প্রাণীর কথা এসেছে। ইবনু উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাপাক বস্তু ভক্ষণকারী জন্তুর গোশত খেতে এবং তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসটির মূল দিক হলো খাদ্যের পবিত্রতা। যে প্রাণী নাপাক জিনিস খেয়ে অভ্যস্ত, তার গোশত ও দুধের ব্যাপারে নববী নিষেধ এসেছে। এখানে হাদিসে নির্দিষ্টভাবে “জাল্লালা” ও তার দুধের কথা বলা হয়েছে; তাই ব্যাখ্যা এই সীমার মধ্যে রাখা দরকার। এটি মুসলিমকে শেখায়, শুধু পশু হালাল প্রজাতির কি না তা নয়, তার খাদ্যাভ্যাসের দিকেও সতর্কতা থাকতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নাপাক বস্তু খাওয়া জন্তুর গোশত খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
- এ ধরনের জন্তুর দুধ পান করতেও নিষেধ এসেছে।
- খাদ্যের পবিত্রতা মুসলিম জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।
