১২/০. অধ্যায়ঃ
পঙ্গপাল খাওয়ার বৈধতা
ফড়িং খাওয়ার বৈধতা: পঙ্গপাল সম্পর্কে হাদিসের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ১৩২২
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩২২
وَعَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى قَالَ: غَزَوْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - سَبْعَ غَزَوَاتٍ, نَأْكُلُ الْجَرَادَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনু আবু আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। আমরা তাঁর সঙ্গে ফড়িংও খাই। [১৪২৯]
[১৪২৯] বুখারী ৫৪৯৫, মুসলিম ১৯৫২, মুসলিম ১৮২১, ১৮২২, নাসায়ী ৪৩৫৬, ৪৩৫৭, আবু দাউদ ৩৮১২, আহমাদ ১৮৬৩৩, ১৮৬৬৯, দারেমী ২০১০।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আবী আওফা (রাঃ) একটি সরল ঘটনা বলেছেন। তিনি জানান, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছয়টি কিংবা সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে ফড়িংও খেয়েছিলেন। এখানে বড় কোনো তাত্ত্বিক আলোচনা নেই, বরং সাহাবীদের বাস্তব আমল এসেছে। ফড়িং বা পঙ্গপাল খাওয়ার বিষয়টি তাই এই বর্ণনায় বৈধতার দিক থেকে বোঝা যায়। তবে হাদিসটি শুধু ফড়িং খাওয়ার কথা বলছে; অন্য কোনো পোকামাকড়ের সাধারণ বিধান এখানে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার সময় সীমা রাখা দরকার। এই হাদিস আমাদের শেখায়, খাদ্য বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা অনেক সময় নির্দিষ্ট ঘটনার মাধ্যমে পরিষ্কার হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীগণ নবীজির সঙ্গে ফড়িং খেয়েছেন—এটি বৈধতার ইঙ্গিত দেয়।
- একটি নির্দিষ্ট প্রাণীর বিধান থেকে সব প্রাণীর বিধান বানানো ঠিক নয়।
- খাদ্য বিষয়ে সাহাবীদের আমলও বুঝতে সাহায্য করে।
