১১/০. অধ্যায়ঃ
মুজাহিদদের প্রাপ্ত সম্পদ ভক্ষণের বিধান
খাইবারে খাদ্যসামগ্রী থেকে প্রয়োজনমতো নেওয়ার হাদিস
বুলুগুল মারাম : ১২৯৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৯৫
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَصَبْنَا طَعَامًا يَوْمَ خَيْبَرَ, فَكَانَ الرَّجُلُ يَجِيءُ, فَيَأْخُذُ مِنْهُ مِقْدَارَ مَا يَكْفِيهِ, ثُمَّ يَنْصَرِفُ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَالْحَاكِمُ
আবদুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা খাইবার যুদ্ধে খাদ্যসামগ্রী লাভ করি, ফলে লোকেরা প্রয়োজন মেটানোর মত খাদ্য নিয়ে আপন আপন স্থানে চলে যেত। [১৪০২]
[১৪০২] আবু দাউদ ২৭০৪, আহমাদ ১৮৬৪৫।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আওফা রাঃ বলেন, খাইবার যুদ্ধে তাঁরা খাদ্যসামগ্রী লাভ করেন। তখন মানুষ প্রয়োজন মেটানোর মতো খাদ্য নিয়ে নিজ নিজ স্থানে চলে যেত। বর্ণনাটি যুদ্ধের সময় খাদ্য ব্যবহারের একটি সহজ চিত্র দেয়। এখানে লোভ করে জমা করার কথা নেই; প্রয়োজন অনুযায়ী নেওয়ার কথা আছে। হাদিসে শুধু খাদ্যসামগ্রীর প্রসঙ্গ এসেছে, তাই এটিকে সব ধরনের গনীমতের সম্পদের জন্য একইভাবে বলা যাবে না। মূল শিক্ষা হলো, প্রয়োজনের সীমা মানা এবং খাদ্যসামগ্রী ব্যবহারে ভারসাম্য রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাদ্যসামগ্রী প্রয়োজনমতো নেওয়ার বর্ণনা এসেছে।
- প্রয়োজনের বাইরে জমা করার কথা এখানে নেই।
- খাইবারের ঘটনার সাথে এই বর্ণনা যুক্ত।
- খাবার ব্যবহারে প্রয়োজন ও সীমা বোঝার শিক্ষা আছে।
