১১/০. অধ্যায়ঃ
মুজাহিদদের প্রাপ্ত সম্পদ ভক্ষণের বিধান
যুদ্ধের সময় পাওয়া মধু ও আঙ্গুর খাওয়ার হাদিস
বুলুগুল মারাম : ১২৯৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৯৪
وَعَنْهُ [قَالَ]: كُنَّا نُصِيبُ فِي مَغَازِينَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ, فَنَأْكُلُهُ وَلَا نَرْفَعُهُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ. وَلِأَبِي دَاوُدَ: فَلَمْ يُؤْخَذْ مِنْهُمْ الْخُمُسُ. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, কিন্তু জমা রাখতাম না। আবু দাউদের বর্ণনায় আছে, তা হতে এক পঞ্চমাংশ নেয়া হতো না। [১৪০১]
[১৪০১] বুখারী ৩১৫৪, আবু দাউদ ২৭০১।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, সাহাবীরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর পেতেন। তাঁরা তা খেয়ে নিতেন, কিন্তু জমা রাখতেন না। আবূ দাঊদের বর্ণনায় আছে, তা থেকে খুমুস নেওয়া হতো না। এখানে মূল বিষয় হলো, যুদ্ধের সময় পাওয়া কিছু খাদ্যসামগ্রী প্রয়োজন অনুযায়ী খাওয়ার কথা এসেছে। বর্ণনায় মধু ও আঙ্গুরের কথাই এসেছে, তাই অন্য সব মালামালের নিয়ম এর সঙ্গে মিশিয়ে বলা ঠিক নয়। গনীমতের সাধারণ মাল ও তাৎক্ষণিক খাদ্য ব্যবহারের মধ্যে একটি ব্যবহারিক পার্থক্য বোঝা যায়। তবে বিস্তারিত বিধান এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনার বাইরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুদ্ধে পাওয়া খাদ্যসামগ্রী প্রয়োজনমতো খাওয়ার বর্ণনা আছে।
- মধু ও আঙ্গুর জমা না রেখে খাওয়া হতো।
- এই বর্ণনাকে সব গনীমতের মালামালের সাথে মিলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
- খাদ্য ব্যবহারে বাস্তব প্রয়োজনের দিকটি দেখা যায়।
