১১/০. অধ্যায়ঃ
গনীমতের মাল বন্টনের পদ্ধতি
খাইবারে গনীমত বণ্টন: ঘোড়সওয়ার ও পদাতিকের অংশ
বুলুগুল মারাম : ১২৯০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৯০
وَعَنْهُ قَالَ: قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَوْمَ خَيْبَرَ لِلْفَرَسِ سَهْمَيْنِ, وَلِلرَّاجِلِ سَهْمًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّوَلِأَبِي دَاوُدَ: أَسْهَمَ لِرَجُلٍ وَلِفَرَسِهِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ: سَهْمَيْنِ لِفَرَسِهِ, وَسَهْمًا لَهُ
সাহাবী ইবনে ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার যুদ্ধে গনীমত হতে যুদ্ধে ব্যবহৃত ঘোড়ার জন্য দু’টি অংশ ও পদাতিকের জন্য ১টি অংশ দিয়েছেন।– হাদীসের শব্দ বিন্যাস বুখারীর। [১৩৯৬] আবু দাউদে আছে, যোদ্ধা ও ঘোড়ার জন্য তিনটি অংশ দিয়েছিলেন, দুটো ভাগ তাঁর ঘোড়ার ও একটি ভাগ তাঁর নিজের। [১৩৯৭]
[১৩৯৬] বুখারীর বর্ণনায় আরও রয়েছে, বর্ণনাকারী [‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহ.)] বলেন, নাফি’ হাদীসটির ব্যাখ্যা করে বলেছেন, (যুদ্ধে) যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে সে পাবে তিন অংশ এবং যার সঙ্গে ঘোড়া থাকেনা, সে পাবে এক অংশ। [১৩৯৭] বুখারী ২৮৬৩, মুসলিম ১৭৬২, তিরমিযী ১৫৫৪, আবু দাউদ ২৭৩৩, ইবনু মাজাহ ২৮৫৪, আহমাদ ৪৪৩৪, ৪৯৮০, ৫২৬৪, দারেমী ২৪৭২।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খাইবার যুদ্ধের গনীমত বণ্টনের কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়ার জন্য দুই অংশ এবং পদাতিক যোদ্ধার জন্য এক অংশ দেন। আবূ দাঊদের বর্ণনায় বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে যে যোদ্ধা ও তার ঘোড়ার জন্য মোট তিন অংশ ছিল—দুই অংশ ঘোড়ার জন্য এবং এক অংশ যোদ্ধার নিজের জন্য। এখানে মূল বিষয় হলো, যুদ্ধের কাজে ব্যবহৃত বাহনের ভূমিকা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। গনীমতের মাল বণ্টনে দায়িত্ব, অবদান ও ব্যবহৃত সামগ্রীর দিক দেখা হয়েছে। এই বর্ণনা শুধু খাইবার যুদ্ধের গনীমত বণ্টনের প্রসঙ্গে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গনীমত বণ্টনে যোদ্ধার অবদান বিবেচিত হয়েছে।
- যুদ্ধের কাজে ব্যবহৃত ঘোড়ার জন্য আলাদা অংশ দেওয়া হয়েছে।
- পদাতিক ও ঘোড়সওয়ারের অংশ এক ছিল না।
- বণ্টন নবীজির নির্দেশিত নিয়মে হয়েছে।
