১/৯. অধ্যায়ঃ

তায়াম্মুম (মাটির সাহায্যে পবিত্রতা অর্জন) - তায়াম্মুমের পদ্ধতিতে ছোট-বড় নাপাকির ক্ষেত্রে কোন পার্থক্য নেই

তায়াম্মুমের পদ্ধতি: মুখ ও হাত মাসহ করার শিক্ষা

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৯

وَعَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: بَعَثَنِي النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - فِي حَاجَةٍ, فَأَجْنَبْتُ, فَلَمْ أَجِدِ الْمَاءَ, فَتَمَرَّغْتُ فِي الصَّعِيدِ كَمَا تَمَرَّغُ الدَّابَّةُ, ثُمَّ أَتَيْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ, فَقَالَ: «إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيكَ أَنْ تَقُولَ بِيَدَيْكَ هَكَذَا»، ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدَيْهِ الْأَرْضَ ضَرْبَةً وَاحِدَةً, ثُمَّ مَسَحَ الشِّمَالَ عَلَى الْيَمِينِ, وَظَاهِرَ كَفَّيْهِ وَوَجْهَهُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍوَفِي رِوَايَةٍ لِلْبُخَارِيِّ: وَضَرَبَ بِكَفَّيْهِ الْأَرْضَ, وَنَفَخَ فِيهِمَا, ثُمَّ مَسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ وَكَفَّيْهِ

‘আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন প্রয়োজনে (কোন এক স্থানে) পাঠালেন। কিন্তু সেখানে আমি জুনুবী হয়ে পড়ি এবং পানি না পাওয়ায় ধূলার উপর (শুয়ে) গড়াগড়ি দেই যেভাবে চতুশ্পদজন্তু গড়াগড়ি দিয়ে থাকে। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকটে প্রত্যাবর্তন করে আমি তা বর্ণনা করি। তখন তিনি আমাকে বললেন, ‘ঐ অবস্থায় তোমার পক্ষে এতটুকুই যথেষ্ট ছিল যে, তুমি তোমার হাত দুটিকে এভাবে করতে (তিনি তা দেখাতে গিয়ে) তাঁর দুহাতের তালুকে এক বার মাটির উপরে মারলেন, তারপর বাম হাতকে ডান হাতের উপর মাসহ করলেন এবং তাঁর দুহাতের বাহির ভাগ ও মুখমণ্ডলও মাস্হ করলেন।’ এ শব্দ বিন্যাস মুসলিমের। [১৫৪]বুখারীর অন্য বর্ণনায় আছে, “এবং তাঁর হাত দু’টিকে মাটিতে মারলেন এবং দুহাতে ফূঁক দিলেন; তারপর দু’হাত দ্বারা মুখমণ্ডল ও হাতের দু’ কবজি মাসহ করলেন।” [১৫৫]

[১৫৪] বুখারী ৩৪৭ মুসলিম ৩৬৮[১৫৫] বুখারী ৩৩৮

বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)-এর ঘটনা এসেছে। তিনি প্রয়োজনের কাজে গিয়ে জুনুবী হন এবং পানি পাননি। তখন তিনি ধারণা করে মাটিতে গড়াগড়ি দেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিষয়টি বললে নবীজি তাঁকে তায়াম্মুমের সহজ পদ্ধতি দেখিয়ে দেন। তিনি দুই হাত মাটিতে একবার মারেন, তারপর হাত ও মুখমণ্ডল মাসহ করেন। বুখারীর অন্য বর্ণনায় হাতে ফুঁ দেওয়া এবং মুখ ও কবজি মাসহ করার কথা এসেছে। এই হাদিস “তায়াম্মুম করার নিয়ম”, “জুনুবী হলে পানি না পাওয়া” এবং “তায়াম্মুমের পদ্ধতি” বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, ভুল ধারণা হলে তা নবীজির শিক্ষায় ঠিক করে নেওয়া উচিত। নিজের অনুমানকে চূড়ান্ত ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • পানি না পেলে তায়াম্মুমের নিয়ম নবীজি নিজে দেখিয়েছেন।
  • ধারণা ভুল হলে জিজ্ঞেস করে সঠিক পদ্ধতি শেখা দরকার।
  • তায়াম্মুমে মুখ ও হাত মাসহ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন