১১/০. অধ্যায়ঃ
নিহতের মাল হত্যাকারী পাওয়ার উপযুক্ত
সালাবের বিধান: যুদ্ধলব্ধ সামগ্রীর ফয়সালা
বুলুগুল মারাম : ১২৮০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৮০
وَعَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَضَى بِالسَّلَبِ لِلْقَاتِلِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ. وَأَصْلُهُ عِنْدَ مُسْلِمٍ
আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যাকারী মুজাহিদকে (প্রতিপক্ষের নিহত ব্যক্তি) সালাব (পরিত্যক্ত সামগ্রী) দেয়ার ফায়সালা দিয়েছিলেন। [১৩৮৬]
[১৩৮৬] আবূ দাঊদ ২৭১৯, ২৭২১, মুসলিম ১৭৫৩, আহমাদ ২৩৪৬৭, ২৩৪৭৭।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আউফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যাকারী মুজাহিদকে প্রতিপক্ষের নিহত ব্যক্তির সালাব বা পরিত্যক্ত সামগ্রী দেওয়ার ফয়সালা করেছিলেন। এখানে মূল বিষয় হলো সালাবের বিধান। হাদিসটি যুদ্ধক্ষেত্রের সম্পদ বণ্টনের একটি নির্দিষ্ট দিক তুলে ধরে। এতে ব্যক্তিগত লুটপাটের কথা নয়; বরং নবীজির ফয়সালার কথা এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় বলা যায়, যুদ্ধলব্ধ সামগ্রীর ক্ষেত্রেও নিয়ম ও সিদ্ধান্তের অধীন থাকা দরকার। “সালাব” বিষয়ে এই বর্ণনা দেখায়, যুদ্ধের সম্পদ নিয়ে নিজের ইচ্ছামতো নয়, বরং নির্ধারিত ফয়সালা অনুযায়ী চলতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাবের বিষয়ে নবীজির ফয়সালার কথা হাদিসে এসেছে।
- যুদ্ধলব্ধ সামগ্রীর বণ্টন নিয়মের অধীন।
- সম্পদ নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ইচ্ছা নয়, ফয়সালা মানা দরকার।
- যুদ্ধের ক্ষেত্রেও আমানত ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ।
