১১/০. অধ্যায়ঃ
গনীমতের মাল চুরি করা হারাম
গনিমতের মালে খিয়ানত: আগুন ও লজ্জার সতর্কতা
বুলুগুল মারাম : ১২৭৯
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৭৯
وَعَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تَغُلُّوا; فَإِنَّ الْغُلُولَ نَارٌ وَعَارٌ عَلَى أَصْحَابِهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গাণীমতের মালে কোন খিআনাত (অন্যায়ভাবে অধিকার) করবে না। এরূপ করার ফলে ইহকালে ও পরকালে অগ্নি ও লজ্জা উভয়ই ভোগ করতে হবে। [১৩৮৫]
[১৩৮৫] আহমাদ ২২১৯১।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, গনিমতের মালে খিয়ানত করো না; কারণ খিয়ানত তার কর্তার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে আগুন ও লজ্জার কারণ। এখানে মূল বিষয় হলো গনিমতের মালে আমানতদারি। যুদ্ধের সম্পদ বা গনিমতের মাল ব্যক্তিগতভাবে অন্যায়ভাবে নিয়ে নেওয়া কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। হাদিসটি আমানত, সততা ও দায়িত্বের শিক্ষা দেয়। “গনিমতের মালে খিয়ানত” শুধু আর্থিক অন্যায় নয়; এতে দুনিয়ার লজ্জা এবং আখিরাতের ভয়াবহ পরিণতির সতর্কতা এসেছে। তাই মুসলিমের জন্য সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও আল্লাহভীতি জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গনিমতের মালে খিয়ানত করা নিষিদ্ধ।
- খিয়ানত দুনিয়া ও আখিরাতে লজ্জা ও শাস্তির কারণ হতে পারে।
- যুদ্ধের সম্পদেও আমানতদারি জরুরি।
- সম্পদের বিষয়ে আল্লাহভীতি ও সততা দরকার।
