১০/৪. অধ্যায়ঃ
মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মসজিদে হাদ্দ কায়েম করা নিষেধ
মসজিদে হাদ্দ কায়েম করা যাবে না: হাদিসের সহজ শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ১২৪৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৪৫
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُقَامُ الْحُدُودُ فِي الْمَسَاجِدِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالْحَاكِم
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মাসজিদে কোন হাদ্দ কায়েম করা (জারি করা) যাবে না। [১৩৫১]
[১৩৫১] তিরমিযী ১৪০১, হাকিম ৪র্থ খন্ড ৩৬৯ পৃষ্ঠা।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মসজিদে কোনো হাদ্দ কায়েম করা যাবে না। হাদিসের ভাষা সরল, তাই এর মূল শিক্ষা হলো—শরীয়তের দণ্ড থাকলেও তা মসজিদের ভেতরে কার্যকর করা হবে না। মসজিদ হলো সালাত, যিকর, কুরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতের জায়গা। তাই মসজিদের পরিবেশকে দণ্ড কার্যকর করার স্থান বানানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এখানে শাস্তি অস্বীকার করা হয়নি; বরং শাস্তি প্রয়োগের স্থান সম্পর্কে একটি সীমা দেখানো হয়েছে। মুসলিম সমাজে মসজিদের মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও পবিত্র পরিবেশ রক্ষার একটি পরিষ্কার নির্দেশ এই হাদিসে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মসজিদে হাদ্দ কার্যকর করা যাবে না।
- ইবাদতের স্থানের মর্যাদা আলাদা করে রক্ষা করতে হয়।
- শাস্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রেও স্থান ও নিয়মের গুরুত্ব আছে।
- মসজিদকে দণ্ড কার্যকরের জায়গা বানানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
