১০/৩. অধ্যায়ঃ
চুরির দণ্ড - চোরের হাত কর্তনের আবশ্যকতা এবং যে পরিমাণ চুরিতে হাত কাটা যাবে-এ প্রসঙ্গে
তিন দিরহামের ঢাল: চুরির দণ্ডের একটি বর্ণনা
বুলুগুল মারাম : ১২২৯
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২২৯
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَطَعَ فِي مِجَنٍ، ثَمَنُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন দিরহাম মূল্যের ঢালের চুরিতে হাত কেটেছিলেন। [১৩৩৫]
[১৩৩৫] বুখারী ৬৭৯৬, ৬৭৯৭, ৬৭৯৮, মুসলিম ১৬৮৯, তিরমিযী ১৪৪৬, নাসায়ী ৪৯০৬, ৪৯০৭, ৪৯০৮, আবু দাউদ ৪৩৮৫, ইবনু মাজাহ ২৫৮৪, আহমাদ ৪৪৮৯, ৫১৩৫, মালেক ১৫৭২, দারেমী ২৩০১।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন দিরহাম মূল্যের একটি ঢাল চুরির কারণে হাত কাটার দণ্ড কার্যকর করেছিলেন। এখানে মূল বিষয় হলো চুরির দণ্ড এবং চুরি করা জিনিসের মূল্য। আগের হাদিসে এক চতুর্থাংশ দীনারের কথা এসেছে, আর এই বর্ণনায় তিন দিরহাম মূল্যের ঢালের ঘটনা এসেছে। তাই চুরির দণ্ড বুঝতে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি কোনো সাধারণ নৈতিক গল্প নয়; এটি বিচারিক দণ্ডের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা। তাই ব্যাখ্যা করার সময় অতিরিক্ত দাবি না করে শুধু হাদিসের কথাই ধরা উচিত। সম্পদের অধিকার রক্ষা ও চুরির গুরুতরতা এখানে স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চুরি করা জিনিসের মূল্য বিচারিক সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
- চুরি মানুষের সম্পদের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- দণ্ডের বিষয়ে নির্দিষ্ট বর্ণনার সীমা মেনে কথা বলা উচিত।
