১০/২. অধ্যায়ঃ
যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তি - স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করার বিধান
ইবনু আব্বাসের বর্ণনায় লি'আন প্রসঙ্গ
বুলুগুল মারাম : ১২২৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২২৫
وَهُوَ فِي الْبُخَارِيِّ نَحْوُهُ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হতে বর্ণিত আছে। [১৩৩২]
[১৩৩২] বুখারী ৪৭৪৭, ৫৩০৭, তিরমিযী ৩১৭৯, আবু দাউদ ২২৫৪, ২২৫৫, ইবনু মাজাহ ২০৬৭, আহমাদ ২১৩২, ২২০০।ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। হিলাল ইবনু উমাইয়া নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীক ইবনু সাহমা এর সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হবার অভিযোগ করলে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হয় তুমি এর প্রমাণ পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে দন্ড আপতিত হবে। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ কি আপন স্ত্রীর উপর অপর কোন পুরুষকে দেখে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ছুটে যাবে? কিন্তু নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কথা বলতে থাকলেন, হয় প্রমাণ পেশ করবে, নয় তোমার পিঠে বেত্রাঘাতের দন্ড আপতিত হবে।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, এর অনুরূপ কথা বুখারিতে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর হাদিসে এসেছে। এখানে আলাদা কোনো নতুন ঘটনা বিস্তারিতভাবে বলা হয়নি; বরং আগের লি'আন ও অপবাদের আলোচনার সঙ্গে একটি সম্পর্কিত বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত ঘটনা তৈরি করা ঠিক হবে না। মূল শিক্ষা হলো, একই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একাধিক বর্ণনার মাধ্যমে এসেছে, যা বিচার, প্রমাণ এবং অপবাদ থেকে সতর্ক থাকার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে। বিশেষ করে লি'আন, দাম্পত্য অভিযোগ এবং অপবাদের হাদ্দ বিষয়ে গবেষণা করতে হলে এই রেফারেন্সধর্মী বর্ণনাও নজরে রাখা দরকার। সংক্ষিপ্ত হলেও এটি আগের আলোচনার সঙ্গে বিষয়গতভাবে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সংক্ষিপ্ত রেফারেন্সধর্মী বর্ণনাও মূল বিষয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত হতে পারে।
- লি'আন ও অপবাদ বিষয়ে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যায়।
- যেখানে বিস্তারিত নেই, সেখানে অতিরিক্ত দাবি না করে সতর্ক থাকা উচিত।
