৯/৩. অধ্যায়ঃ
ন্যায়ের সীমালঙ্ঘনকারী বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধ - ইসলামী রাষ্ট্রের আনুগত্য ত্যাগ করা এবং দল থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
আনুগত্য ত্যাগ ও জামাআত থেকে বিচ্ছিন্নতার ভয়াবহতা
বুলুগুল মারাম : ১১৯৩
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১১৯৩
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ خَرَجَ عَنِ الطَّاعَةِ, وَفَارَقَ الْجَمَاعَةَ, وَمَاتَ, فَمِيتَةٌ جَاهِلِيَّةٌ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি (ইসলামী রাস্ত্র নায়কের) আনুগত্য ত্যাগ করবে, মুমিনদের দল থেকে সরে গিয়ে মারা যাবে, সে জাহিলী অবস্থায় মরবে। (অর্থাৎ ইসলাম বর্জিত অবস্থায় তার মৃত্যু হবে)। ]১৩০০]
[১৩০০] মুসলিম ১৮৪৮, নাসায়ী ৪১১৪, ইবনু মাজাহ ৩৯৪৮, আহমাদ ৭৮৮৪,৮০০০,৯৯৬০।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১১৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মুসলিম সমাজের ঐক্য, আনুগত্য ও জামাআতের গুরুত্ব এসেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আনুগত্য ত্যাগ করে এবং মুমিনদের দল থেকে সরে গিয়ে মারা যায়, সে জাহিলী অবস্থায় মরবে। টেক্সটে “ইসলামী রাষ্ট্র নায়কের আনুগত্য” কথাটি এসেছে, তাই এখানে মূল কীওয়ার্ড হলো “আনুগত্য ত্যাগ”, “জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন”, “জাহিলী মৃত্যু”। এই হাদিস মানুষকে বিশৃঙ্খলা, দল ভাঙা এবং সমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতার ভয়াবহতা মনে করিয়ে দেয়। তবে আধুনিক প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত ফতোয়া দেওয়া এই টেক্সটের উদ্দেশ্য নয়। প্রদত্ত ভাষা অনুযায়ী, শিক্ষা হলো—ঐক্য ও শৃঙ্খলা রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, আর অবাধ বিচ্ছিন্নতা বিপজ্জনক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
- আনুগত্য ও সামাজিক শৃঙ্খলার গুরুত্ব আছে।
- মৃত্যুর আগে অবস্থান ও পথের ব্যাপারে সচেতন থাকা দরকার।
