৮/২. অধ্যায়ঃ
স্ত্রীলোকদের প্রতি সৎ ব্যবহার - ‘আযল’ করার বৈধতা প্রসঙ্গে
রাসূলের যুগে আযল: সাহাবীদের আমল থেকে শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ১০২৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১০২৫
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كُنَّا نَعْزِلُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَالْقُرْآنُ يَنْزِلُ, وَلَوْ كَانَ شَيْئًا يُنْهَى عَنْهُ لَنَهَانَا عَنْهُ الْقُرْآنُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِوَلِمُسْلِمٍ: فَبَلَغَ ذَلِكَ نَبِيَّ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَلَمْ يَنْهَنَا
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে এবং কুরআন অবতীর্ণ হওয়াকালে ‘আযল করতাম। যদি তাতে নিষেধ করার মত কিছু থাকতো তাহলে কুরআন সে ব্যাপারে আমাদেরকে নিষেধ করতো।মুসলিমে আরো আছে- এ কথা আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যাওয়ার পরও তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেননি। [১১২২]
[১১২২] বুখারী ৫২০৯, মুসলিম ১৪৪০, তিরমিযী ১১৩৭, ইবনু মাজাহ ১৯২৭, আহমাদ ১৩৯০৬, ১৪৫৪০, ১৪৬১৪।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১০২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুগে এবং কুরআন নাজিল হওয়ার সময় তাঁরা আযল করতেন। তিনি আরও বলেন, যদি এটি নিষিদ্ধ করার মতো বিষয় হতো, তবে কুরআন এ ব্যাপারে নিষেধ করত। মুসলিমের বর্ণনায় আছে, বিষয়টি নবীজির কাছে পৌঁছেছিল, তবু তিনি তাঁদের নিষেধ করেননি। এই হাদিস আযল বিষয়ে আলোচনায় খুব গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা হিসেবে খোঁজা হয়। তবে এখানে ব্যাখ্যা শুধু হাদিসের কথার ওপর সীমিত রাখা হলো। মূল শিক্ষা হলো, সাহাবীদের আমল এবং নবীজির নীরব অনুমোদন কোনো বিষয়ের বোঝাপড়ায় ভূমিকা রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীদের আমল থেকে শরিয়তের বিষয় বোঝা যায়।
- নবীজির কাছে বিষয় পৌঁছেও নিষেধ না করা একটি অর্থ বহন করে।
- আযল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সংশ্লিষ্ট সব বর্ণনা জানা প্রয়োজন।
- দাম্পত্য ও সন্তান-সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বশীল জ্ঞান দরকার।
