১/৭. অধ্যায়ঃ
কাযায়ে হাযাত বা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার (পায়খানা প্রস্রাবের) বর্ণনা - যে বস্তু দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা যাবে না
ইস্তেঞ্জার নিষিদ্ধ বস্তু: হাড় ও গোবর দিয়ে পবিত্রতা নয়
বুলুগুল মারাম : ১০১
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১০১
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - نَهَى أَنْ يُسْتَنْجَى بِعَظْمٍ, أَوْ رَوْثٍ، وَقَالَ: «إِنَّهُمَا لَا يُطَهِّرَانِ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَصَحَّحَهُ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাড় ও গোবর দ্বারা ইস্তেঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, ‘এ দুটি বস্তু (কোন কিছুকে) পবিত্র করতে পারে না। দারাকুৎনী সহীহ বলেছেন। [১২০]
[১২০] দারাকুর্তনী ১৯৫৬ এবং তিনি বলেছেন হাদীসের সনদটি সহীহ।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইস্তেঞ্জার একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাড় ও গোবর দিয়ে ইস্তেঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন। কারণ হাদিসের ভাষায়, এই দুটি বস্তু পবিত্র করতে পারে না। তাই পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে শুধু কোনো বস্তু ব্যবহার করলেই হবে না; সেটি পবিত্র করার উপযোগী কি না, সেটিও বিবেচনা করতে হবে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, শৌচকার্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। ইস্তেঞ্জার নিয়ম, পবিত্রতার উপায় এবং নাপাকি দূর করার ক্ষেত্রে নবীজির নির্দেশনা অনুসরণ করা মুসলিম জীবনের অংশ। হাদিসটিতে দারাকুৎনী বর্ণনা করেছেন এবং সহীহ বলেছেন বলে উল্লেখ আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইস্তেঞ্জার সময় হাড় ও গোবর ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- পবিত্রতা অর্জনের জন্য এমন বস্তু ব্যবহার করা দরকার যা সত্যিই পরিষ্কার করে।
- শরীর ও কাপড়ের পবিত্রতা নামাজসহ ইবাদতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- শৌচকার্যের ছোট বিষয়েও নবীজির নির্দেশনা মানা উচিত।
