১৫/৩. অধ্যায়ঃ
অনাবৃষ্টির সময় ইমামের নিকট বৃষ্টির জন্য লোকদের দোয়ার আবেদন।
বৃষ্টির জন্য দোয়া ও নবী صلى الله عليه وسلم-এর মমতা: ইবন উমর রাঃ-এর বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ১০০৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০০৮
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو قُتَيْبَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَتَمَثَّلُ بِشِعْرِ أَبِي طَالِبٍ وَأَبْيَضَ يُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ ثِمَالُ الْيَتَامَى عِصْمَةٌ لِلأَرَامِلِ.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু দীনার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে আবু তালিব-এর এই কবিতা পাঠ করতে শুনেছিঃতিনি শুভ্র, তাঁর চেহারার ওসিলাহ দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হতো।তিনি ইয়াতীমদের খাবার পরিবেশনকারী আর বিধবাদের তত্ত্বাবধায়ক।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন উমর (রাঃ)-এর একটি স্মরণীয় বর্ণনা আছে। তিনি আবু তালিবের একটি কবিতা পাঠ করেন, যেখানে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শুভ্র চেহারা, তাঁর মাধ্যমে বৃষ্টি প্রার্থনা, ইয়াতীমদের খাবার দেওয়া এবং বিধবাদের তত্ত্বাবধানের কথা এসেছে। হাদিসের ভাষা কবিতার মাধ্যমে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর মর্যাদা ও মানুষের প্রতি তাঁর মমতার দিক তুলে ধরে। এখানে কোনো দীর্ঘ ফিকহি আলোচনা নেই; বরং বৃষ্টির জন্য দোয়া এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর দয়া-ভরা চরিত্রের কথাই ফুটে ওঠে। “ইস্তিসকা হাদিস”, “বৃষ্টির জন্য দোয়া” এবং “আবু তালিবের কবিতা” খুঁজলে এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যা করার সময় কবিতার সীমার বাইরে নতুন দাবি করা ঠিক নয়। তাই এই হাদিস পড়ার সময় কবিতার ভাষা, বৃষ্টির প্রার্থনা এবং দয়ার গুণ—সবই আলাদা করে দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবন উমর (রাঃ) আবু তালিবের কবিতা পাঠ করেছিলেন।
- কবিতায় বৃষ্টি প্রার্থনার কথা এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ইয়াতীম ও বিধবাদের প্রতি মমতার কথা উল্লেখ আছে।
- হাদিসের কবিতাকে তার বর্ণিত অর্থের মধ্যেই রাখা উচিত।
