২৮/২৫. অধ্যায়ঃ
জাল্লালা ও তার দুধ পান নিষেধ
জাল্লালা প্রাণীর গোশত ও দুধ সম্পর্কে হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৮৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৮৫
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنِ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنْ أَكْلِ الْجَلاَّلَةِ وَأَلْبَانِهَا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জাল্লালার (যে প্রাণী নাপাক বস্তু খায়) গোশত খেতে ও তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم জাল্লালা প্রাণীর গোশত খেতে এবং তার দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন। জাল্লালা বলতে এখানে এমন প্রাণী বোঝানো হয়েছে, যে নাপাক বস্তু খায়। তাই “জাল্লালা প্রাণী”, “জাল্লালার দুধ” এবং “জাল্লালার গোশত” বিষয়ে এই বর্ণনাটি গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের ভাষা সরাসরি নিষেধের কথা বলছে। তাই খাবারের পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা এখানে বড় বিষয়। কোনো প্রাণী কী খায়, সেটাও খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বিবেচ্য হতে পারে—এ শিক্ষা এই হাদিসে পাওয়া যায়। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ততটুকুই বলা উচিত; এর বাইরে বাড়তি শর্ত বা নিয়ম যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জাল্লালা প্রাণীর গোশত খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
- জাল্লালা প্রাণীর দুধ পান করতেও নিষেধ এসেছে।
- খাবারের উৎস ও পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
