২০/১৮. অধ্যায়ঃ
দানপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা করা
উমর (রাঃ)-এর মুখে সত্য স্থাপনের হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ২৯৬২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৯৬২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ غُضَيْفِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ اللَّهَ وَضَعَ الْحَقَّ عَلَى لِسَانِ عُمَرَ يَقُولُ بِهِ " .
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ উমর (রাঃ)-এর মুখে সত্যকে স্থাপন করেছেন। তিনি ন্যায়নিষ্ঠার সাথেই কথা বলতেন।
সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১০৮)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ যার (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন যে আল্লাহ উমর (রাঃ)-এর মুখে সত্যকে স্থাপন করেছেন। তিনি সেই সত্য অনুযায়ী কথা বলতেন। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, সত্য কথা বলা, ন্যায়ের পক্ষে থাকা এবং সিদ্ধান্তে সঠিক পথ খোঁজা একজন মুমিনের বড় গুণ। এখানে উমর (রাঃ)-এর ব্যক্তিত্বের একটি বিশেষ মর্যাদা ফুটে উঠেছে। তবে হাদিসের বক্তব্যকে শুধু এই সীমার মধ্যেই রাখা উচিত—এটি উমর (রাঃ)-এর সত্যনিষ্ঠ কথার প্রশংসা। ফাই সম্পদ ও জিযিয়া সম্পর্কিত আগের হাদিসের সাথে মিলিয়ে দেখা যায়, তাঁর অনেক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও ন্যায়ের ভিত্তিতে মূল্যায়িত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সত্য কথা বলা মুমিনের সম্মানজনক গুণ।
- উমর (রাঃ)-এর কথায় সত্য প্রকাশের বিশেষ মর্যাদা এসেছে।
- ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে সত্যনিষ্ঠা একজন মানুষের চরিত্রকে উঁচু করে।
