৬/১৩২. অধ্যায়ঃ
সালাম দেওয়ার পদ্ধতি
প্রথমে যে সালাম দেবে তার এরূপ বলা (উচিত), ’আসসালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লাহি অবারাকাতুহ’। এটা মুস্তাহাব। সে বহুবচন সর্বনাম ব্যবহার করবে; যদিও যাকে সালাম দেওয়া হয় সে একা হোক না কেন। আর সালামের উত্তরদাতা বলবে ’অআলাইকুমুস সালামু অরহমাতুল্লাহি অবারাকাতুহ, অর্থাৎ সে শুরুতে সংযোজক অব্যয় ’অ’ বা ’ওয়া’ শব্দ ব্যবহার করবে।
মহিলাদের সালাম দেওয়া: নবী صلى الله عليه وسلم-এর আচরণের শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ৫/৮৫৯
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৫/৮৫৯
وَعَن أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: مَرَّ عَلَيْنَا النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم فِى نِسْوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا. رواه أبوداود
আসমা বিনতে য়্যাযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) আমাদের একদল মহিলার নিকট দিয়ে পার হওয়ার সময় আমাদেরকে সালাম দিলেন। (আবূ দাঊদ)[১](প্রকাশ থাকে যে নবী (ﷺ) এর হাতের ইশারায় মহিলাদেরকে সালাম দেওয়ার তিরমিযীর হাদীসটি সহীহ নয়।)
তিরমিযী ২৬৯৭, আবূ দাউদ ৫২০৪, ইবনু মাজাহ ৩৭০১, আহমাদ ২৭০১৪, দারেমী ২৬৩৭।
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৫/৮৫৯-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: সালাম। আসমা বিনতে ইয়াযীদ (রা.) বলেন, একদিন নবী (صلى الله عليه وسلم) তাদের একদল মহিলার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে সালাম দিলেন। এই বর্ণনা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সালামের আদব বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেখা যায়, সালাম মানুষের প্রতি সৌজন্য ও শান্তির দোয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। হাদিসের সঙ্গে থাকা মন্তব্যে বলা হয়েছে, হাতের ইশারায় মহিলাদের সালাম দেওয়ার তিরমিযীর বর্ণনাটি সহীহ নয়। তাই এখানে মূল শিক্ষা হলো, নবী (صلى الله عليه وسلم) মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সালাম দিয়েছেন। এ থেকে সালামের সাধারণতা, সৌজন্য এবং মানুষের প্রতি সম্মান প্রকাশ পায়। তবে হাদিসের বাইরে বাড়তি নিয়ম বা সীমা বানানো এখানে উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم একদল মহিলাকে সালাম দিয়েছেন।
- সালাম সৌজন্য ও শান্তির দোয়া।
- হাদিসের নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে সতর্ক থাকার শিক্ষা আছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকেও সালামের আদব বোঝা যায়।
