৪/১২৩. অধ্যায়ঃ
চুলকানি রোগ থাকলে রেশমের কাপড় পরা বৈধ
চুলকানির কারণে রেশম পরার অনুমতি: প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড়
রিয়াদুস সালেহীন : ১/৮১৪
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/৮১৪
عَن أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: رَخَّصَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لِلزُّبَيْرِ وعَبْدِ الرَّحْمَانِ بنِ عَوْفٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا فِي لُبْس الحَريرِ لِحَكَّةٍ كَانَتْ بِهِما . متفقٌ عَلَيْهِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুবাইর ও আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রাঃ) কে তাদের গায়ে চুলকানি হবার দরুন রেশমী কাপড় পরার অনুমতি দিয়েছিলেন।’ (বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ৫৮৩৯, ২৯১৯, ২৯২০, ২৯২২, ৫৮৩৯, মুসলিম ২০৭৬, তিরমিযী ১৭২২, নাসায়ী ৫৩১০, ৫৩১১, আবূ দাউদ ৪০৫৬, ইবনু মাজাহ ৩৫৯২, আহমাদ ১১৮২১, ১১৮৭৯, ১২৪৫২, ১২৫৮০, ১২৮৩৬, ১৩২২৮, ১৩২৭০, ১৩৪৭৩
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৮১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم যুবাইর ও আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রাঃ)-কে রেশমী কাপড় পরার অনুমতি দিয়েছিলেন, কারণ তাঁদের গায়ে চুলকানি ছিল। আগের হাদিসগুলোতে পুরুষদের রেশম পরার নিষেধ এসেছে। এই হাদিসে দেখা যায়, নির্দিষ্ট অসুস্থতা বা কষ্টের কারণে রাসূল صلى الله عليه وسلم তাঁদের জন্য ছাড় দিয়েছেন। তাই ব্যাখ্যায় ভারসাম্য দরকার: সাধারণ অবস্থায় পুরুষের রেশম পরিধান নিষিদ্ধ, কিন্তু এই বর্ণনায় চুলকানির কারণে বিশেষ অনুমতির কথা এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইসলাম কেবল নিষেধের ধর্ম নয়; মানুষের বাস্তব কষ্ট ও প্রয়োজনও বিবেচনা করে। তবে এই অনুমতি হাদিসে যে কারণ উল্লেখ আছে, সেই সীমার মধ্যেই বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চুলকানির কারণে বিশেষভাবে রেশম পরার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- সাধারণ নিষেধের পাশাপাশি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড় থাকতে পারে।
- হাদিসের নির্দিষ্ট কারণকে অযথা বিস্তৃত করা উচিত নয়।
- ইসলামের নির্দেশনায় মানুষের কষ্ট বিবেচনায় আসে।
