১৮/৩২৪. অধ্যায়ঃ
মোরগকে গালি দেওয়া নিষেধ
মোরগকে গালি নয়: নামাজের স্মরণ করিয়ে দেওয়া এক শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১৭৩৯
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১৭৩৯
عَنْ زَيدِ بنِ خَالِدِ الجُهَنِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَسُبُّوا الدِّيكَ فَإِنَّهُ يُوِقِظُ لِلصَّلاَةِ». رواه أبو داود بإسناد صحيح
যায়েদ ইবনে খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তোমরা মোরগকে গালি দিও না। কারণ, সে নামাযের জন্য জাগিয়ে থাকে।’’[আবূ দাঊদ বিশুদ্ধ সূত্রে][১]
আবূ দাউদ ৫১০১, আহমাদ ২১১৭১
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১৭৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা মোরগকে গালি দিও না। কারণ, সে নামাযের জন্য জাগিয়ে থাকে। এখানে খুব সহজ কিন্তু সুন্দর শিক্ষা আছে। একটি সাধারণ প্রাণীর ডাকও মানুষের জন্য ভালো কাজের স্মরণ হতে পারে। বিশেষ করে ফজরের সময় মোরগের ডাক অনেক মানুষকে ঘুম থেকে ওঠার কথা মনে করিয়ে দেয়। তাই বিরক্ত হয়ে তাকে গালি দেওয়া উচিত নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, যেসব জিনিস ভালো কাজের দিকে মনে করিয়ে দেয়, সেগুলোকে অবহেলা বা গালি না দিয়ে ভালো চোখে দেখা উচিত। ভাষা নিয়ন্ত্রণ করা, প্রাণীর প্রতি অযথা রাগ না করা এবং নামাজের প্রতি সচেতন থাকা—এসব শিক্ষা এতে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মোরগকে গালি দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
- যে জিনিস নামাজের কথা মনে করায় তা সম্মানের যোগ্য।
- প্রাণীর প্রতি অযথা রাগ বা গালি ভালো নয়।
- ফজর ও নামাজের সময় বিষয়ে সচেতন থাকা দরকার।
