২৫/৩৯. অধ্যায়ঃ
রাষ্ট্রের সীমান্ত পাহারা দেয়ার ফাযীলাত
রিবাতের সওয়াব: একদিন একরাত সীমান্ত পাহারার মর্যাদা
সুনানে আন-নাসায়ী : ৩১৬৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩১৬৭
قَالَ: الْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شُرَيْحٍ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ، عَنْ سَلْمَانَ الْخَيْرِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ رَابَطَ يَوْمًا وَلَيْلَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَ لَهُ كَأَجْرِ صِيَامِ شَهْرٍ وَقِيَامِهِ، وَمَنْ مَاتَ مُرَابِطًا أُجْرِيَ لَهُ مِثْلُ ذَلِكَ مِنَ الْأَجْرِ، وَأُجْرِيَ عَلَيْهِ الرِّزْقُ، وَأَمِنَ مِنَ الْفَتَّانِ»
সালমানুল খায়র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একদিন ও একরাত সীমান্ত পাহারা দেয়, তার জন্য এক মাস সাওম রাখার ও রাত জেগে ইবাদতের সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি পাহারার কাজে নিয়োজিত থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তার জন্যও অনুরূপ সওয়াব রয়েছে। আর তাকে [জান্নাত হতে] রিযক বরাদ্দ দেয়া হবে, আর সে সমস্ত ফিতনা (বিপদ ও সমস্যা) হতে সুরক্ষিত থাকবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩১৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রিবাত বা আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত পাহারা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একদিন ও একরাত সীমান্ত পাহারা দেয়, তার জন্য এক মাস সাওম রাখা ও রাত জেগে ইবাদতের সওয়াব রয়েছে। আবার যে ব্যক্তি এই পাহারার কাজে থাকাবস্থায় মারা যায়, তার জন্যও অনুরূপ সওয়াব জারি থাকে। হাদিসে আরও এসেছে, তাকে রিজিক দেওয়া হবে এবং সে ফিতনা থেকে সুরক্ষিত থাকবে। এখানে রিবাতের ফজিলত খুব স্পষ্ট। তবে ব্যাখ্যায় মনে রাখতে হবে, বর্ণনাটি আল্লাহর রাস্তায় দায়িত্বপূর্ণ পাহারার কথা বলছে। এটি অবহেলা নয়, বরং দায়িত্ব, ধৈর্য এবং নিরাপত্তা রক্ষার কাজকে মূল্যবান হিসেবে তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত পাহারা একটি বড় সওয়াবের কাজ।
- একদিন একরাত রিবাতের সঙ্গে এক মাস সাওম ও কিয়ামের সওয়াবের তুলনা এসেছে।
- রিবাত অবস্থায় মৃত্যু হলে সওয়াব জারি থাকার কথা হাদিসে আছে।
- দায়িত্বশীল পাহারা ও ধৈর্যকে ইসলাম মর্যাদা দিয়েছে।
