২২/৫৫. অধ্যায়ঃ

মানসূর (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনার পার্থক্য

সফরে নবী صلى الله عليه وسلم-এর রোজা রাখা ও ভাঙার আমল

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৯২

أَخْبَرَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ: قُلْتُ لِمُجَاهِدٍ: الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُ وَيُفْطِرُ»---[حكم الألباني] صحيح لغيره

আওয়াম ইব্‌ন হাওশাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি মুজাহিদ (রহঃ)-কে বললাম, সফর অবস্থায় সাওম (কি পালন করতে হবে?) তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওম পালন করতেন এবং ভঙ্গ করতেন।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৯২-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে সফরের রোজা সম্পর্কে একটি সরাসরি প্রশ্নের উত্তর এসেছে। বর্ণনাকারী মুজাহিদ রহঃ-কে সফর অবস্থায় সাওমের বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন। তিনি উত্তর দেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সফরে রোজা রাখতেন এবং রোজা ভাঙতেন। অর্থাৎ তাঁর সফরের আমল শুধু এক ধরনের ছিল না। কোনো সফরে বা কোনো পর্যায়ে তিনি রোজা পালন করেছেন, আবার অন্য সময়ে ভেঙেছেন। বর্ণনাটি মুসাফিরের রোজা নিয়ে সহজ ও ভারসাম্যপূর্ণ ধারণা দেয়। এখানে কোন পরিস্থিতিতে কোনটি করেছিলেন, সেই বিস্তারিত তথ্য নেই। তাই নিজের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত বসিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। মূল শিক্ষা হলো, নবী صلى الله عليه وسلم-এর সফরের আমলে রোজা পালন ও ইফতার—দুই ধরনের উদাহরণই রয়েছে। এ কারণে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার সময় একটি দিক তুলে অন্য দিকটি গোপন করা উচিত নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم সফরে কখনো রোজা রাখতেন।
  • তিনি সফরে কখনো রোজা ভেঙেও দিতেন।
  • মুসাফিরের রোজা বিষয়ে দুই ধরনের আমলই বর্ণিত হয়েছে।
  • হাদিসে নেই এমন নির্দিষ্ট শর্ত নিজে থেকে যোগ করা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন