২২/৫৩. অধ্যায়ঃ
সফর অবস্থায় সওম পালনকারী ব্যক্তি বাড়িতে অবস্থানকালীন সওম ভঙ্গকারীর ব্যক্তি ন্যায়।
সফরে রোজাদারের অবস্থা নিয়ে সাহাবির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২৮৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৮৫
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ الْخَيَّاطِ، وَأَبُو عَامِرٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ: «الصَّائِمُ فِي السَّفَرِ كَالْمُفْطِرِ فِي الْحَضَرِ»
আব্দুর রহমান ইব্ন আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সফরে রোযাদারের অবস্থা মুকিম অবস্থায় রোযা ভঙ্গকারীর ন্যায়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুর রহমান ইবন আওফ রাঃ-এর একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য এসেছে। তিনি সফরে রোজা রাখা ব্যক্তিকে মুকিম অবস্থায় রোজা ভঙ্গকারী ব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এখানে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কোনো সরাসরি উক্তি বা বিস্তারিত ঘটনার কথা নেই। তাই বক্তব্যটি যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে রাখা দরকার। এর ভাষা সফরের সময় রোজা রাখার ব্যাপারে নিরুৎসাহের অর্থ প্রকাশ করে। তবে এতে সফরের ধরন, কষ্টের পরিমাণ, ব্যক্তির সামর্থ্য বা অন্য কোনো শর্ত বিস্তারিত বলা হয়নি। এ কারণে শুধু এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ধরে সবার জন্য একই রকম অবস্থা ঘোষণা করা ঠিক নয়। মুসাফিরের রোজা বিষয়ে এটি একটি সাহাবি-সূত্রে বর্ণিত মত হিসেবে পড়তে হবে এবং সম্পর্কিত সহিহ নববী বর্ণনাগুলোর সঙ্গেও বিষয়টি মিলিয়ে দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি সাহাবির বক্তব্য; নবী صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি বাণী নয়।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় না থাকা শর্ত বা কারণ নিজে থেকে যোগ করা উচিত নয়।
- সফরের রোজা নিয়ে সিদ্ধান্তে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাগুলো একসঙ্গে দেখা দরকার।
- উদ্ধৃতির সময় বক্তব্যের বক্তা সঠিকভাবে উল্লেখ করা জরুরি।
