২২/৫৩. অধ্যায়ঃ
সফর অবস্থায় সওম পালনকারী ব্যক্তি বাড়িতে অবস্থানকালীন সওম ভঙ্গকারীর ব্যক্তি ন্যায়।
সফরে রোজা রাখা নিয়ে সংক্ষিপ্ত মাওকুফ বক্তব্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২৮৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৮৪
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ الْبَلْخِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْنٌ، عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ: " يُقَالُ: الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ كَالْإِفْطَارِ فِي الْحَضَرِ "---[حكم الألباني] ضعيف موقوف
আব্দুর রহমান ইব্ন আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বলা হয় যে, সফরকালীন সাওম পালন করা বাড়িতে সাওম ভঙ্গ করার ন্যায়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, সফর অবস্থায় সাওম পালন করা বাড়িতে অবস্থান করে সাওম ভাঙার মতো। তবে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী এটি নবী صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি বাণী নয়; আবদুর রহমান ইবন আওফ রাঃ-এর দিকে সম্পর্কিত একটি মাওকুফ বক্তব্য। এর মানও দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই এই একক বর্ণনার ভাষা দিয়ে সফরের রোজা সম্পর্কে চূড়ান্ত বা ব্যাপক দাবি করা ঠিক হবে না। বর্ণনাটির মূল বক্তব্য সফরে রোজা রাখার বিষয়ে কঠোর সতর্কতার ভাষা প্রকাশ করে। কিন্তু এর সূত্র ও মান মনে রেখে পড়তে হবে। একই বিষয়ের অন্য সহিহ বর্ণনায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর সফরে কখনো রোজা রাখা, কখনো ভাঙা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী বেছে নেওয়ার কথা পাওয়া যায়। সেই অতিরিক্ত তথ্য এখানে সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, সম্পর্কিত বর্ণনা বোঝার সতর্কতা হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনাটি নবী صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি উক্তি হিসেবে পেশ করা উচিত নয়।
- হাদিস বা বক্তব্যের মান ও সূত্র জেনে উদ্ধৃত করা দরকার।
- দুর্বল মাওকুফ বর্ণনা থেকে অতিরঞ্জিত সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলা উচিত।
- সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ব্যাখ্যা করার সময় মূল শব্দের সীমা মানতে হবে।
