৪/৩৮. অধ্যায়ঃ
সলাতের রুকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করা এবং সংক্ষেপে পূর্ণাঙ্গরূপে সলাত আদায় করা
আবু উবাইদার ইমামতি ও পূর্বের বর্ণনার ধারাবাহিকতা
সহীহ মুসলিম : ৯৪৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৯৪৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، أَنَّ مَطَرَ بْنَ نَاجِيَةَ، لَمَّا ظَهَرَ عَلَى الْكُوفَةِ أَمَرَ أَبَا عُبَيْدَةَ أَنْ يُصَلِّيَ، بِالنَّاسِ . وَسَاقَ الْحَدِيثَ .
হাকাম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
মাতার ইবন নাজিয়া যখন কুফার উপর নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল, আবু উবাইদাকে লোকদের সালাতে ইমামতি করার নির্দেশ দিল। অবশিষ্ট হাদিস পূর্ববৎ।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৪১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৯৫২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৯৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, মাতার ইবন নাজিয়া যখন কুফার উপর নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল, তখন সে আবু উবাইদাকে লোকদের সালাতে ইমামতি করার নির্দেশ দিল। এরপর বলা হয়েছে, অবশিষ্ট হাদিস পূর্ববৎ। তাই এই বর্ণনার মূল শিক্ষা ৯৪৫ নম্বর হাদিসের সাথে যুক্ত। সেখানে রুকু থেকে মাথা তুলে দাঁড়ানো, আল্লাহর প্রশংসার দোয়া এবং রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতে রুকু, সিজদা ও মাঝের অবস্থাগুলোর সময় প্রায় সমান হওয়ার কথা এসেছে। এই হাদিসে নতুনভাবে মূলত ঘটনার শুরুতে মাতার ইবন নাজিয়ার নাম স্পষ্ট হয়েছে। তাই বিষয়টি হলো ইমামতি, সালাতের স্থিরতা এবং পূর্বের বর্ণনার সমর্থন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় মাতার ইবন নাজিয়ার নাম স্পষ্টভাবে এসেছে।
- আবু উবাইদাকে লোকদের সালাতে ইমামতি করতে বলা হয়েছিল।
- বাকি শিক্ষা পূর্বের বর্ণনার মতো সালাতের ভারসাম্যের সাথে যুক্ত।
- রুকু, সিজদা ও দাঁড়ানোর অংশে স্থিরতা রাখা সালাতের সৌন্দর্য বাড়ায়।
