১/২০. অধ্যায়ঃ

মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা ঈমানের অঙ্গ। ঈমান হ্রাস ও বৃদ্ধি হয়। ভালো কাজের আদেশ করা ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ওয়াজিব

মারওয়ানের ঘটনা: মন্দ কাজ দেখলে দায়িত্ব

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৮২

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَعَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، فِي قِصَّةِ مَرْوَانَ وَحَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ شُعْبَةَ وَسُفْيَانَ ‏.

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)-এর সূত্রে হতে বর্ণিতঃ

মারওয়ানের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। আর এই হাদীসটি শু'বাহ ও সুফিয়ানের বর্ণিত হাদীসের মতোই।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৮৬

সহীহ মুসলিম হাদিস ৮২-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় মারওয়ানের একই ঘটনা উল্লেখ হয়েছে এবং আগের বর্ণনার মতোই মন্দ কাজ দেখলে করণীয় শিক্ষা এসেছে। হাদিসের গুরুত্ব হলো, একটি ভুল বা গর্হিত কাজ দেখা গেলে মুমিন সম্পূর্ণ উদাসীন থাকে না। তবে তার করণীয় সামর্থ্যের সঙ্গে যুক্ত। হাতে পরিবর্তন করার ক্ষমতা থাকলে তা করবে। না থাকলে মুখে বলবে। সেটাও সম্ভব না হলে অন্তরে অপছন্দ করবে। এই ধাপগুলো দায়িত্বকে সহজভাবে সাজিয়ে দেয়। এতে বোঝা যায়, মন্দ প্রতিরোধ মানে সব সময় একই ধরনের পদক্ষেপ নয়; বরং নিজের ক্ষমতা, অবস্থা ও নিরাপত্তা বুঝে সঠিকভাবে এগোনো। হাদিসটি কথা দিয়ে সংশোধন, অন্তরের ঘৃণা এবং ঈমানি সতর্কতার শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মন্দ কাজ দেখলে উদাসীন থাকা ঠিক নয়।
  • সংশোধনের ধাপ সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত।
  • মুখে সতর্ক করা ক্ষমতা না থাকলে গুরুত্বপূর্ণ পথ।
  • অন্তরে মন্দকে অপছন্দ করাও ঈমানের অংশ।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন